জাপানের দরজা খুলছে : দরকার দক্ষতা
জাপানের বর্তমান জনতাত্ত্বিক সংকট কেবল দেশটির অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়, বরং এটি বৈশ্বিক শ্রমবাজারের সমীকরণে একটি অভাবনীয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। ‘জাপান টাইমস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৪০ সাল নাগাদ জাপানে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ কর্মক্ষম জনশক্তির ঘাটতি দেখা দেবে। এ বিশাল শূন্যস্থান পূরণে জাপান সরকার ২০২৯ সালের মধ্যে প্রায় ৮ লাখ ২০ হাজার থেকে ১২ লাখ বিদেশি কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশের জন্য এটি একটি কৌশলগত অগ্রাধিকার এবং জাতীয় সমৃদ্ধির সুবর্ণ সুযোগ হতে চলেছে।
জাপানের এ বিশাল চাহিদা মেটাতে সরকার একটি সুনির্দিষ্ট এবং পর্যায়ক্রমিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ২০২৬ সালে ২ হাজার, ২৭ সালে ৬ হাজার, ২৮ সালে ১২ হাজার, ২৯ সালে ৩০ হাজার এবং ২০৩০ সাল নাগাদ ৫০ হাজার কর্মী পাঠানোর একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ চূড়ান্ত করেছে। এরই মধ্যে নেপাল ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬০ হাজারেরও বেশি কর্মী পাঠিয়ে এই বাজারে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। নেপালের এই সাফল্যের মূলে রয়েছে তাদের নিবিড় জাপানিজ সংস্কৃতি শিক্ষা এবং নেটিভ প্রশিক্ষকদের ব্যবহার।