বৈশ্বিক পুলিশিং ও বাংলাদেশের বাস্তবতা

ঢাকা পোষ্ট সম্পাদকীয় প্রকাশিত: ১৫ মে ২০২৬, ১১:৩০

বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আজ এক জটিল দ্বৈত বাস্তবতার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে, একদিকে নিরাপত্তার অপরিহার্য প্রতীক, অন্যদিকে অনেক সময় ভয়, দূরত্ব ও অবিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি। ফলে প্রশ্নটি কেবল ‘পুলিশ কতটা শক্তিশালী?’ নয়; বরং আরও গভীর, একটি সমাজ হিসেবে আমরা আসলে কী ধরনের পুলিশ চাই?


যে পুলিশ কেবল অপরাধ দমনের পাশাপাশি, জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক, আস্থা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে নিরাপত্তা গড়ে তুলবে। এই দর্শনই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পুলিশিং। প্রকৃত প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশের আসলে কী ধরনের পুলিশ দরকার? কারণ পুলিশ শুধু ইউনিফর্ম, অস্ত্র কিংবা গ্রেপ্তারের বিষয় নয়।


প্রতিটি সমাজ তার রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও সামাজিক কল্পনার ভিত্তিতে নিজের পুলিশ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। কোথাও পুলিশকে নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র হিসেবে গড়া হয়, কোথাও সহযোগিতার প্রতিষ্ঠান হিসেবে। কোথাও তারা ভয়ের মাধ্যমে শাসন করে, আবার কোথাও জনআস্থা ও বৈধতার ওপর দাঁড়িয়ে কাজ করে।


বাংলাদেশের পুলিশ ব্যবস্থা অনেকাংশেই ঔপনিবেশিক শাসনের উত্তরাধিকার বহন করছে। ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের পর ব্রিটিশ শাসকরা উপমহাদেশে যে পুলিশ কাঠামো গড়ে তোলে, তার মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা নয়; বরং শাসনক্ষমতা রক্ষা করা। নজরদারি, নিয়ন্ত্রণ ও আনুগত্য ছিল সেই ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। স্বাধীনতার বহু বছর পরও সেই মানসিকতার ছাপ পুরোপুরি মুছে যায়নি। এখনো অনেক সাধারণ মানুষ থানায় প্রবেশ করেন আস্থা নিয়ে নয়, বরং শঙ্কা নিয়ে। জনগণ ও পুলিশের মধ্যে মানসিক দূরত্ব এখনো দৃশ্যমান।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও