২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ঘোষিত ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকার স্বাস্থ্য বাজেট নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ শতাংশ অতিক্রম করে ১.০১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এটি শুধু একটি পরিসংখ্যানগত অর্জন নয়; বরং দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে নতুনভাবে বিনির্মাণের এক বিরল সুযোগ।
তবে স্বাস্থ্যখাতের বাস্তবতা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে বাজেটের আকারই শেষ কথা নয়; বরং গুরুত্বপূর্ণ হলো সেই অর্থ কতটা কার্যকরভাবে ব্যয় করা যায় এবং তা জনগণের স্বাস্থ্যসেবায় কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। অতীত অভিজ্ঞতা খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়।
গত অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে প্রাথমিকভাবে ৪২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও তা পরে সংশোধিত বাজেটে কমিয়ে ৩৫ হাজার কোটি টাকায় নামিয়ে আনতে হয়েছিল। কারণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করতে পারেনি। ফলে এবারও যদি বাস্তবায়ন সক্ষমতার সংকট কাটিয়ে ওঠা না যায়, তাহলে রেকর্ড বাজেট ঘোষণার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেকটাই ম্লান হয়ে যাবে।