ইসলামের আলোকে নেতৃত্বের গুণাবলি

প্রথম আলো শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী প্রকাশিত: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭:২৬

ইসলাম একমাত্র আল্লাহর মনোনীত ও গ্রহণযোগ্য পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামি বিধিবিধানের পূর্ণাঙ্গ অনুসরণ করাই দুনিয়ার শান্তি ও পরকালে মুক্তির একমাত্র পথ। মানুষ সামাজিক জীব; সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করতে প্রয়োজন হয় নেতৃত্ব। যোগ্য নেতৃত্বের জন্য রয়েছে কিছু মহৎ গুণ।


জীবনে সফল ব্যক্তিই নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত হবেন, এটাই স্বাভাবিক। তাই সফল নেতৃত্বের জন্য প্রয়োজন বিশ্বাস, সৎকর্ম, কল্যাণকামিতা ও সহিষ্ণুতা। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘সময়ের শপথ! নিশ্চয় মানুষ ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। তবে তারা নয়, যারা বিশ্বাস করে, সৎকর্ম করে, একে অন্যকে সত্যের উপদেশ দেয় এবং ধৈর্যধারণে পরামর্শ দেয়।’ (সুরা-১০৩ আসর, আয়াত: ১-৩)


সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নেতৃত্বের উদাহরণ, ইনসানে কামিল, সর্বশেষ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)। সত্যতা, পবিত্রতা ও প্রেমিকতা এবং বিশ্বাস, আশা ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ ছিল তাঁর জীবন। নেতা হবেন স্নেহশীল ও দয়ালু। প্রিয় নবী (সা.)–এর বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তোমাদের কাছে এসেছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন এমন রাসুল, তোমাদের দুঃখকষ্ট তাঁর পক্ষে দুঃসহ, তিনি তোমাদের কল্যাণকামী, বিশ্বাসীদের প্রতি স্নেহশীল, দয়ালু।’ (সুরা-৯ তাওবা, আয়াত: ১২৮) 


নেতার স্বভাব রূঢ় হবে না। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘হে নবী! আপনি যদি কর্কশভাষী, রূঢ় প্রকৃতির ও কঠোর স্বভাবের হতেন, তবে লোকেরা আপনার আশপাশ ছেড়ে চলে যেত।’ (সুরা-৩ আলে ইমরান, আয়াত: ১৫৯) 


নেতাকে সবার কল্যাণকামী হতে হবে। একবার সাহাবাগণ (রা.) বললেন, ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)! সাকিফ গোত্রের তিরগুলো আমাদের শেষ করে দিল। আপনি তাদের জন্য বদদোয়া করুন।’ তিনি বলেন, ‘আয় আল্লাহ! সাকিফ গোত্রকে হিদায়াত দান করুন।’ (তিরমিজি: ৩৯৪২)


নেতার নীতি হবে সবার সঙ্গে পরামর্শ করে কাজ করা। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) অপেক্ষা নিজের সাথিদের সঙ্গে অধিক পরামর্শ করতে আমি কাউকে দেখিনি।’ (তিরমিজি: ১৭১৪) নবী করিম (সা.) বলেন, ‘আমার উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তি পরামর্শ করে সে সোজা পথের ওপর থাকে, আর যে ব্যক্তি পরামর্শ করে না, সে চিন্তাযুক্ত থাকে।’ (বায়হাকি, খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা: ৭৬) 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও