You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ডাকসু ঘিরে উচ্চাশার পারদ

মাত্রা ও সূচকে এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের গোটা আবহটাই ভিন্ন। তারওপর ডাকসু নির্বাচন কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক বিষয় নয়। নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বলা হলেও এ কেন্দ্রটির দিকে অনেকের ভর-ভরসা। সঙ্গে আগামীর অনেক বার্তাও। ডাকসু ছাড়াও জাকসু, রাকসু, চাকসুসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়মিত না হওয়ায় জাতীয় রাজনীতির  নেতৃত্বে মেধাশূন্যতার কথা বহুল আলোচিত। এ নির্বাচনগুলো নিয়মিত হলে জয়ী-পরাজিত প্রার্থীদের পরবর্তী পারফরমেন্স হতে পারতো জাতীয় রাজনীতিতে। আমাদের জাতীয় নির্বাচন আয়োজক নির্বাচন কমিশনও নিতে পারতো কিছু অভিজ্ঞতা। জাতীয় রাজনীতির মতো আমাদের জাতীয় নির্বাচন আয়োজক কর্তৃপক্ষের মানও যে ক্রমেই অবনতি ঘটেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। 

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা বিচারক নন, প্রশাসকও নন। তারা মূলত গবেষক। তারা কেবল ছাত্রদের গড়ে তোলেন না, শিক্ষকও তৈরি করেন। বিচারক, প্রশাসকদের পাঠ-পঠন দেন। আর ছাত্র সংসদ নির্বাচনের সময় নিজেদেরই বিচারক হতে হয়, প্রশাসকও হতে হয়। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের কমিশনারসহ যাবতীয় পরিচালনা তারাই করেন। এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে কয়েকজন শিক্ষকের নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত কর্মযজ্ঞ ও পরিশ্রম এখনো অনেকের জানার বাইরে।  

সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত হলের বাইরে আটটি কেন্দ্রে প্রায় ৪০ হাজার ভোট নেয়ার কতো কঠিন কাজ সাঙ্গ করতে হচ্ছে তাদের। অন্যবারের তুলনায় এবার ডাকসুতে ব্যালটের আকার বেড়েছে। এবার ভোটারদের ৪১টি ভোট। ভোট নিতে হচ্ছে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন-ওএমআর শিটে। এবার ডাকসুতে ২৮টি পদের বিপরীতে প্রার্থী ৪৭১ জন। হল সংসদের ২৩৪টি পদের বিপরীতে প্রার্থী ১ হাজার ৩৫ জন। ভোটের আগে ভোট দেওয়ার নিয়মকানুন ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে জানিয়েছে। ভিডিও চিত্রটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভোট প্রদানে ছাত্র–ছাত্রীকে উৎসাহিত করতে তিনটি অনুষদ ও একটি ইনস্টিটিউটে সভা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এসব সভায়ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নতুন ভোটারদের ভোটদানের পদ্ধতি সম্পর্কে জানিয়েছে। এবারের ডাকসু নির্বাচনে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে জড়িত বৈধ রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগী ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রায় সব কটিই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শরিক। আছেন বিপুলসংখ্যক স্বতন্ত্র প্রার্থীও। অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি নারী প্রার্থী।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন