You have reached your daily news limit

Please log in to continue


‘কী দোষ ছিল আমার ছেলের? সে তো হাসপাতালে ডিউটিতে যাচ্ছিল’

‘আমার ছেলেরে গুলি কইরা মারছে, কী দোষ ছিল আমার ছেলের? আমার ছেলে তো বাসা থেকে বের হয়ে হাসপাতালে ডিউটি করতে যাচ্ছিল। আমি এখন কী নিয়ে বেঁচে থাকবো?”

১৯ জুলাই দুপুরে রাজধানীর আফতাবনগর থেকে খাবার খেয়ে কর্মস্থল বনশ্রীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যাওয়ার সময় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সহিংসতার মধ্যে পড়ে গুলিতে নিহত নাজমুল হাসানের (২১) মা নাজমা বেগম (৪৫) কাঁদতে কাঁদতে কথাগুলো বলছিলেন।

নাজমা বেগম এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে কাজ করছেন। ছেলে নাজমুল হাসান এক বছর ধরে পড়ালেখার পাশাপাশি পার্টটাইম কাজ করতেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন