You have reached your daily news limit

Please log in to continue


পারিবারিক অশান্তির মূল কারণ এবং তার সমাধান

মানুষের জীবনে অশান্তির শেষ নেই। বিভিন্নভাবে অশান্তি সৃষ্টি হয়। প্রায় প্রতিটি পরিবারেই কোনো না কোনো কারণে অশান্তি উড়ে এসে জুড়ে বসে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে শুরু হয় বাগবিতণ্ডা। ছোটবেলায় ভাবসম্প্রসারণে পড়েছিলাম, ‘ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণা বিন্দু বিন্দু জল গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল।’ তখন একটু কম বুঝলেও এখন এই পঙ্্ক্তির মানে পূর্ণাঙ্গভাবে বুঝতে পারি। পরিবারের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে তর্ক-বিতর্ক, সন্দেহ ও ভুল বোঝাবুঝি থেকে এক সময় বড় আকার ধারণ করে পারিবারিক অশান্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়। পারিবারিক কিছু ঘটনার কথা বলি, সেদিন তিনটি পরিবার মিলে সিনেপ্লেক্সে গেলাম সিনেমা দেখতে, পরিবারগুলোর মধ্যে সম্পর্কের মূল সূত্রটি হলো আমার ছেলে এবং তার দুই বন্ধুর পরিবার। এর মধ্যে এক বন্ধুর মা খুব বিধ্বস্ত অবস্থায় এলেন।

সিনেমা শুরু হওয়ার আগে পাশে বসলেন, খুব মন খারাপ করে বিভিন্ন গল্প বলতে লাগলেন। গল্পের মূল বিষয়বস্তু হলো তার স্বামীর সরকারি চাকরির সূত্র ধরে দেশের বাইরে পোস্টিং হচ্ছে, সেখানে তারা কিছুদিন পর চলে যাচ্ছে। কিন্তু তার স্বামীর চরিত্রটি সুবিধার নয়, সারাদিনে যতক্ষণ বাসায় থাকে মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকে, কখনই তার ছেলেমেয়েদের সময় দেয় না। বিভিন্ন মেয়ের সঙ্গে চ্যাট করে এবং যখন-তখন বিভিন্ন জায়গায় চলে যায়। তার স্বামী তাকে স্বেচ্ছায় চলে যাওয়ার জন্য বারবার বলেছে। যেহেতু তার একটি ছেলে, একটি মেয়ে আছে এবং তারা ক্লাস এইট ও নাইনে পড়ে তাই নীলা (ছদ্মনাম) চাচ্ছে যে কোনোভাবেই হোক আর পাঁচটা বছর অন্তত সংসার টিকে থাকুক। তার স্বামী তাকে কোনো হাতখরচের টাকা দেয় না। নীলার আর একটা ভয়, তার স্বামী তাকে ছেড়ে দিলে তার যাওয়ার কোনো জায়গাও নেই। কথাগুলো বলার সময় নীলা খুব কাঁদছিল, আমার খুব মন খারাপ হলো।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন