You have reached your daily news limit

Please log in to continue


স্বাভাবিক প্রসবের জন্য যেসব প্রস্তুতি নেওয়া দরকার

গর্ভাবস্থায় সব মায়েরা দুশ্চিন্তায় থাকে। সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা থাকে সন্তান প্রসব নিয়ে। স্বাভাবিক প্রসব হবে নাকি কাঁটাছেঁড়ার মাধ্যমে হবে- এমন সব চিন্তা ঘুরপাক খায় মাথায়। আবার সবার শরীরে স্বাভাবিক প্রসব করার শক্তি বা পরিস্থিতি থাকে না। শেষ মুহূর্তেও অনেকের ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেয়। তখন আর স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব হয় না। তাই গর্ভাবস্থায় কিছু বিষয় মেনে চললে স্বাভাবিক প্রসবের কাজ সহজ হতে পারে।

খাবারের তালিকা : গর্ভধারণ করার পর অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে খাবার খাবেন। খাবারের তালিকায় তাজা ফল ও প্রচুর শাক-সবজি রাখতে হবে। সেইসঙ্গে খেতে হবে ক্যালসিয়াম ও আয়রন সমৃদ্ধ খাবার। নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখতে হবে মাল্টিভিটামিন। হবু মায়ের শরীরের পেশি যত শিথিল থাকবে, স্বাভাবিক প্রসবের সম্ভাবনাও তত বাড়বে।

সচল থাকুন : গর্ভাবস্থায় অনেকেই অলসতা করে, শুয়ে-বসে কাটান। চিকিৎসক যদি এ ধরনের কোনো নির্দেশনা না দেন, তবে কোনো ধরনের অলসতাকে প্রশ্রয় দেবেন না। শরীর ফিট রাখতে সচল রাখুন। বাড়ির টুকিটাকি কাজ করুন। তবে ভারী কোনো কাজ করতে যাবেন না। হালকা হাতে যেগুলো করা যায়, সেগুলো করুন। সকাল ও বিকেলে নিয়ম করে হাঁটুন। এতে শরীর ফিট থাকবে। বাড়বে নরমাল ডেলিভারির সম্ভাবনা।

পানি পান করুন : সুস্থ থাকতে নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। এতে শরীরে ফ্লুইড চলাচল ভালো থাকে। সেইসঙ্গে স্বাভাবিক থাকে রক্ত চলাচলও। দূর হয় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা। তাই আপনি যদি নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করেন তাহলে তা স্বাভাবিক প্রসবের সম্ভাবনা অনেকটা বাড়িয়ে দেয়।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন : স্বাভাবিক উপায়ে সুস্থ সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য মানসিক চাপমুক্ত থাকা খুবই জরুরি। সব সময় চেষ্টা করুন ফুরফুরে থাকার। কোনো ধরনের চাপ নেবেন না। যারা খোঁচা মেরে বা কষ্ট দিয়ে কথা বলে, তাদের এড়িয়ে চলবেন। কোনো ধরনের ঝগড়াঝাটি বা অশান্তিতে জড়াবেন না। কারণ মানসিক চাপ বাড়লেই আপনার শরীর খারাপ হতে থাকবে। সব সময় হাসিখুশি থাকুন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন