রমজান থেকেই গড়ে তুলুন দারুণ কিছু অভ্যাস

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২:৩৩

রমজান শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকার নাম নয়, এটি আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার এবং আত্মিক নবায়নের এক অনন্য মাস। বছরের এই ৩০ দিন আমাদের রুটিন বদলে যায়, মন নরম হয় এবং আত্মা পরিশুদ্ধ হয়। যদি আপনি দীর্ঘস্থায়ী কোনো ভালো অভ্যাস গড়তে চান, তবে রমজানই হলো তার শ্রেষ্ঠ সময়। একে বলা যেতে পারে আত্মার জন্য একটি ‘ট্রেনিং ক্যাম্প’।


সবাই একসঙ্গে রোজা রাখে বলে একাকিত্ববোধ হয় না এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজ হয়। সেহরি ও ইফতারের কারণে আমাদের খাওয়া ও ঘুমের একটি নির্দিষ্ট শৃঙ্খলা তৈরি হয়। প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে এমন একটি পবিত্র পরিবেশে কিছু দারুণ অভ্যাস নিজের জীবনের সঙ্গে যুক্ত করা যায়।


রমজানে পালনীয়



  • কোরআন তিলাওয়াত: রমজান হলো কোরআনের মাস। প্রতিদিন অন্তত এক পারা তিলাওয়াত করলে মাস শেষে পূর্ণ কোরআন খতম করা সম্ভব।

  • বেশি বেশি দোয়া: তাহাজ্জুদ, ইফতারের আগে এবং শেষ ১০ রাতের সময়গুলো দোয়া কবুলের শ্রেষ্ঠ সুযোগ।

  • জিকির: জিকির অন্তরকে পবিত্র করে এবং অনর্থক কথাবার্তা থেকে দূরে রাখে।

  • নিয়মিত রোজা: সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমদের জন্য রোজা ফরজ। কোনো কারণে রোজা কাজা হলে পরে তা আদায় করতে হয় অথবা ফিতরা দিতে হয়। ইচ্ছাকৃত রোজা ভাঙলে কাফফারার বিধান রয়েছে।

  • তারাবির নামাজ: এশার নামাজের পর এই বিশেষ নফল নামাজ সওয়াব অর্জনের বড় মাধ্যম।

  • দান-সদকা: হাসি দেওয়া, কাউকে পানি পান করানো বা সাহায্য করাও সদকা। সাদকায়ে জারিয়া (যেমন গাছ লাগানো বা কুয়া খনন) করলে মৃত্যুর পরও সওয়াব পাওয়া যায়।

  • ফিতরানা আদায়: ঈদের নামাজের আগেই ফিতরানা দিতে হয়, যা রোজাদারের ত্রুটি-বিচ্যুতি পবিত্র করে এবং অভাবীদের মুখে হাসি ফোটায়।

  • রোজাদারকে ইফতার করানো: অন্যকে ইফতার করালে সেই রোজাদারের সমান সওয়াব পাওয়া যায়, তবে তার সওয়াব থেকে কিছুই কমানো হয় না।

  • অনর্থক কথা বর্জন: রোজা শুধু পানাহার ত্যাগ নয়, বরং অশ্লীল ও অসার কথাবার্তা থেকেও বিরত থাকা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও