You have reached your daily news limit

Please log in to continue


অনেক কিছুই করার আছে আওয়ামী লীগের

দেশে কাঁপন লেগেছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। আগামী নির্বাচন নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং কোনো কোনো কমিশনার মুখর হয়ে উঠেছেন। তারা পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন দলের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সব দলকে নির্বাচনি প্রতিযোগিতায় মাঠে নামাতে ইসির প্রচেষ্টা আন্তরিক বলেই মনে হয়। এখানে একটা অলঙ্ঘনীয় ‘কিন্তু’ আছে। ‘সব দল’ বলতে কী বোঝানো হচ্ছে? কোনো অবস্থায়ই স্বাধীনতাবিরোধী, তাদের সমর্থক এবং তাদের সমর্থিত কোনো দলকে নামে বা বেনামে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া যাবে না। রুখতে হবে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকেও।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠনের পর সবার দৃষ্টি সেদিকে-তাদের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে, এ প্রশ্নও অনেকের মনে। কুমিল্লা পৌর করপোরেশনের নির্বাচন ছিল তাদের প্রথম অগ্নিপরীক্ষা। প্রথমদিকে ইসির ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। তারা সব দলকে আশ্বস্ত করলেন এবং জনৈক সংসদ-সদস্যের তৎপরতা জনস্বার্থ ও নির্বাচনি নীতিমালার বিরোধী হওয়ায় তাকে নির্বাচনি এলাকার বাইরে থাকার নির্দেশ দিলেন।রেননি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন