You have reached your daily news limit

Please log in to continue


আমির হামজার স্বাধীনতা পুরস্কার কিংবা আমলাদের বার্তা

ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার আগ্রাসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের বাজারে আগুন লেগে যাওয়ার মতো সব গরম খবরের মধ্যে আমির হামজা এক বিরাট খবর হয়ে উঠেছেন। যদিও জানি না মৃত এই মানুষটি জীবিত থাকলে এভাবে তার খবর হওয়াটাকে কেমনভাবে নিতেন।

অনুমান করি আমার এই কলামের পাঠকরা আমির হামজা সম্পর্কে জানেন। তারপরও কেউ যদি না জেনে থাকেন তাই দুটো কথা বলে রাখি। এই বছরে সাহিত্যে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান, স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন জনাব হামজা। একজন পালাগান গায়ক ছিলেন তিনি। তার বই মূলত একটি– ‘বাঘের থাবা’। পরে এই বইয়ের গানের অংশ নিয়ে ‘পৃথিবীর মানচিত্রে একটি মুজিব তুমি’ এবং ‘একুশের পাঁচালি’ নামে দুটি বই প্রকাশিত হয়।

সাহিত্য, বিশেষ করে সমকালীন বাংলা সাহিত্য সম্পর্কে আমার পড়াশোনা জানাশোনা একেবারে তলানিতে। তাই জনাব হামজার নাম কিংবা তার লেখার সঙ্গে আমার পরিচয় না থাকাকে আমি আমার ব্যর্থতা হিসেবেই ধরে নিয়েছিলাম। কিন্তু পরে মূলধারার মিডিয়া এবং ফেসবুক দেখে বুঝলাম, সমকালীন বাংলা সাহিত্যের একেবারে খুঁটিনাটির খোঁজ-খবর রাখেন তারাও তাকে চেনেন না, তার সম্পর্কে জানেন না।

একেবারে অপরিচিত একজন মানুষের সাহিত্যে স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়া স্বাভাবিকভাবেই তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বলা বাহুল্য, হাতে গোনা দুই একটি ব্যতিক্রম বাদ দিলে সবাই এই পুরস্কারটির প্রচণ্ড সমালোচনা করছেন। অন্য সব সময় সরকারের সব বিতর্কিত পদক্ষেপকে যৌক্তিকতা দিতে চেষ্টা করা মানুষদের অনেকে এই ক্ষেত্রে আবার সরকারকে ডিফেন্ড না করে তীব্র সমালোচনা করছেন। এই সমালোচকের তালিকায় সাধারণ নেটিজেন থেকে শুরু করে আছেন সাহিত্য-সংস্কৃতির সুশীল মানুষও। এদের মধ্যে অনেকেই আবার সরকারের আনুকূল্যপ্রাপ্ত হয়ে নানা রকম রাষ্ট্রীয় পদে নিযুক্ত ছিলেন বা আছেন।

প্রাথমিক আলোচনা-সমালোচনার জের শেষ হতে না হতেই সামনে এসেছে আরও বিতর্কিত বিষয়। জনাব আমির হামজা হত্যা মামলায় অপরাধী প্রমাণিত হয়ে রীতিমতো জেল খেটেছিলেন। পরে সরকারের সাধারণ ক্ষমায় বেরিয়ে আসেন তিনি। খুনের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত কেউ খুব বড় সাহিত্যিক হতে পারবেন না এমন নয় অবশ্য। আর তেমন কোনও মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া যাবে না, এমন নিয়ম আছে কিনা সেটাও জানি না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন