ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ উপনিবেশবিরোধী শীর্ষ স্বাধীনতা সংগ্রামীদের মধ্যে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর রাজনৈতিক জীবন যতটা দীর্ঘ, ততটাই সংগ্রামবহুল। তিনি প্রায় ৬৫ বছর সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দেশের আপামর গণমানুষের স্বার্থরক্ষায় অবদান রেখেছেন। মওলানা ভাসানী তার জীবদ্দশায় কেবল বাংলাদেশ বা এই উপমহাদেশে নয়, দীর্ঘকাল ধরে খ্যাত ছিলেন আফ্রো-এশিয়া-লাতিন আমেরিকার মজলুম মানুষের সংগ্রামে প্রেরণার দীপশিখা হিসেবে। গণমানুষের সেই কালজয়ী মহান নেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে পশ্চিমী দুনিয়ার গণমাধ্যম ‘ফায়ার ইটার’ বা ‘অগ্নিভুক’, ‘রেড মওলানা অব দ্য ইস্ট’ অর্থাৎ ‘প্রাচ্যের লাল মওলানা’ ইত্যাকার বিশেষণে চিত্রিত করে। টাইম ম্যাগাজিন যখন তাকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করেছে; শিরোনাম দিয়েছে ‘প্রোফেট অব ভায়োলেন্স’ বা ‘সহিংসতার পথপ্রদর্শক’। একই সঙ্গে তিনি স্টকহোম আফ্রো-এশীয় শান্তি সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেছেন এবং জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য শান্তির পৃথিবীর কথা বলেছেন। নির্যাতিত মানুষ বরাবরই তাকে শ্রদ্ধা করে এসেছে উৎপীড়নবিরোধী সংগ্রামের মহানায়ক হিসেবেই। ঔপনিবেশিক আমলে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন তিনি।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
কালের আলোয় মওলানা ভাসানীর সংগ্রামী জীবন
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন