বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো একটা স্বস্তিদায়ক মাত্রার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। আমাদের রিজার্ভ এখন ৪৬ বিলিয়ন ডলার। আমাদের আকারের কোনো অর্থনীতিতে এমনটা নেই। শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের মতো অনেক দেশই আমাদের পেছনে পড়ে আছে। বাংলাদেশের আরেকটি সুবিধা হচ্ছে, গত ১০ বছর ধরে আমরা ডেট সার্ভিসিং (সময়মতো সুদসহ ঋণ পরিশোধ) করে আসছি সফলভাবে। এর প্রধান কারণও বৈদেশিক মুদ্রার পর্যাপ্ততা। আমাদের ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে এডিবি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকসহ বিশ্বের বড় ঋণদানকারী সংস্থাগুলোর আগ্রহ আরো বেড়েছে। কারণ বাংলাদেশ এখন ডেট সার্ভিসিংয়ে সক্ষম। এটাও আমাদের অর্থনীতির একটা সুবিধাজনক অবস্থান। এ ছাড়া রিজার্ভ ভালো থাকলে অর্থনীতিতে বিদেশি বিনিয়োগও ভালো আসে। কারণ বিনিয়োগকারী তাদের আয় বা লাভের অর্থ বিদেশি মুদ্রার মাধ্যমেই নিয়ে যেতে চায়। এদিক দিয়েও বাংলাদেশ গত ১০ বছরে সফলতা দেখিয়েছে। আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। আমাদের অর্থনীতি ৩৫০ বিলিয়ন ডলার ছড়িয়ে গেছে। এই আকারের অর্থনীতিতে ৪৫ বিলিয়নের বেশি রিজার্ভ বলতে গেলে কারো নেই। তবে সম্প্রতি বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের দিক দিয়ে বাংলাদেশি টাকার মান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
টাকার মান ধরে রাখা কঠিন হতে পারে
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন