You have reached your daily news limit

Please log in to continue


আফগানিস্তানে পরিবর্তন এবং বাংলাদেশে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া

শুধু উপমহাদেশীয় দেশগুলোতে নয়, গোটা বিশ্বেই আফগানিস্তানের তালেবানি পুনরুত্থানকে বিশেষ তাৎপর্যময় ঘটনা হিসেবে দেখা হয়েছে। এদিকে গত ৭ সেপ্টেম্বর পানশির প্রতিরোধের পতনের পর অন্যতম প্রধান তালেবান নেতা এবং জাতিসংঘের কালো তালিকাভুক্ত মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ বা আকুন্দজাদাকে প্রধান করে কাবুলের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে। উপপ্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তালেবানের সহপ্রতিষ্ঠাতা মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার। দেশটিকে 'ইসলামিক আমিরাত'ও ঘোষণা করা হয়েছে। যেদিন সরকার গঠন করা হয়, সেদিনই কাবুলে দেশটির 'অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পাকিস্তানের হস্তক্ষেপ'-এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে কিছুসংখ্যক আফগান নারী। তালেবান সেখানে গুলিও চালিয়েছে। এর পরও বিক্ষোভ থেমে নেই। তবে তাৎপর্যময় বিষয়, অন্তর্বর্তী আফগান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্বরাষ্ট্র্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লাভ করেছেন শীর্ষ জঙ্গি নেতা সিরাজউদ্দিন হাক্কানি, যাকে ধরিয়ে দিতে আমেরিকা ৫০ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। আরও এমন জনাকয়েক ব্যক্তি মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন, যারা আন্তর্জাতিকভাবে শীর্ষ সন্ত্রাসী বলে চিহ্নিত। তালেবানের এ সরকারকে অবশ্য চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তান ছাড়া বিশ্বের আর কেউই অভিনন্দন জানায়নি। আমেরিকা, ফ্রান্স, ব্রিটেনসহ পশ্চিমা বিশ্ব ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন