বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে আত্মহত্যা করে প্রায় সাত লাখ তিন হাজার মানুষ। আত্মহত্যার পরিকল্পনা করা ও আত্মহত্যার প্রচেষ্টা চালিয়ে বেঁচে যাওয়া মানুষের সংখ্যা এর কয়েক গুণ। বৈশ্বিক বিচারে পুরুষদের মধ্যে আত্মহত্যার হার মহিলাদের দ্বিগুণ। আত্মহত্যায় মৃতের অর্ধেকের বেশি (৫৮ শতাংশ) ব্যক্তির বয়স পঞ্চাশ বছরের কম। পনেরো থেকে উনত্রিশ বছর বয়সীদের মৃত্যুর কারণ পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, চতুর্থ শীর্ষ কারণ আত্মহত্যা। ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী প্রতি এক শ মৃত্যুর একটির বেশি (১.৩ শতাংশ) ছিল আত্মহত্যাজনিত। ওই বছর আত্মহত্যার তিন-চতুর্থাংশের বেশি (৭৭ শতাংশ) ঘটনাই ঘটেছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে। বাংলাদেশেও আত্মহত্যার সংখ্যাটি উদ্বেগজনক। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব মতে, ২০২০-এ কভিড মহামারি শুরুর ১০ মাসে বাংলাদেশে আত্মহত্যা করেছে ১১ হাজারের বেশি মানুষ (সূত্র : বাংলানিউজ২৪.কম, ১৯.২.২০২১)। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আঁচল ফাউন্ডেশনের জরিপে দেখা গেছে, কভিড সংক্রমণের এক বছরে (মার্চ ২০২০-ফেব্রুয়ারি, ২০২১) দেশে আত্মহত্যা করেছে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার মানুষ। এর প্রায় অর্ধেকের (৪৯ শতাংশ) বয়স ২০-৩৫ বছর। পারিবারিক জটিলতা, সম্পর্কের টানাপড়েন, আর্থিক সমস্যা, লেখাপড়াসংক্রান্ত হতাশা ইত্যাদি নেপথ্যের কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে (সূত্র : কালের কণ্ঠ, ১৪.৩.২০২১)।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
আত্মহত্যা প্রতিরোধে আশার সঞ্চার
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন