আবার এসেছে মুসলমানদের পবিত্র ঈদুল আজহা। স্বাভাবিকভাবেই ত্যাগের মহিমা পূরণ করতে কোরবানি দিতে চাইবে। ঈদ উদযাপন এ দেশের মানুষ মা-বাবা, পরিজনের সঙ্গে উৎসবমুখর পরিবেশে করে অভ্যস্ত। কিন্তু করোনা সংক্রমণ এক বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঈদ উদযাপনে আমাদের এবার বাস্তব পরিকল্পনা নিতে হবে কিভাবে প্রিয়জনদের করোনা থেকে নিরাপদ রেখে পালন করা যায়। উৎসব করতে গিয়ে প্রিয়জনদের যেন আমরা মৃত্যুর মুখে ঠেলে না দিই। কোরবানির ঈদ আমাদের ত্যাগের মহিমা শিখিয়েছে। সেই ত্যাগ এবার আমাদের মানুষকে বাঁচানোর জন্য ব্যবহার করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হবে, আমরা ঈদ উদযাপনও করব আবার সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজেকে এবং প্রিয়জনকে নিরাপদ রাখব। সংক্রমণের যে ঊর্ধ্বগতি এবং মৃত্যুর যে দীর্ঘ মিছিল চলছে, তাতে আমাদের কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতেই হবে। পবিত্র ঈদ পালনে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে তাদের গোটা দেশের ইমামদের দিয়ে পুরো পরিস্থিতির দায়িত্ব নিতে হবে, নেতৃত্ব দিতে হবে এবং পর্যবেক্ষণ করতে হবে। সব বিবেচনায় তাদের বাস্তবধর্মীয় নির্দেশনা দিতে হবে। সরকারি-বেসরকারিভাবে অনলাইনে পশু কেনাকাটার ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় সৌদি সরকার পবিত্র হজ নিয়ন্ত্রণ করতে বাধ্য হয়েছে। ঈদ ঘিরে যেন আবার অবাধ যাতায়াত এবং স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে নতুন করে সংক্রমণ বাড়িয়ে না দিই। অবাধ যাতায়াত এবং স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করলে সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়—এটা প্রমাণিত।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
করোনা নিয়ন্ত্রণ ও কোরবানির ঈদ
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন