দুই যুগের লাগাতার যুদ্ধের পর বিশ্বের শক্তিধর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। যদিও তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, কার্যত এখন থেকেই মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সেনারা গুরুত্বপূর্ণ বাগরাম বিমানঘাঁটি ছেড়েছে, যে ঘাঁটি থেকে তালেবানবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং কাবুলকে সুরক্ষিত রেখেছিল। এই ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, কী লাভ হয়েছে ২০ বছরের এই যুদ্ধ চালিয়ে। আখেরে দেখা গেল, যুক্তরাষ্ট্র না পেরেছে তালেবানকে ধ্বংস করতে, না পেরেছে দেশটিতে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে। পশ্চিমা শক্তির লাভ-ক্ষতির এই বিশ্নেষণ অবশ্যই হবে এবং নিশ্চিতভাবে আর সবার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রই বেশি করে তা করবে। আমি কখনও আফগানিস্তান যাইনি; স্কুলজীবনে কাবুলিওয়ালাদের দেখেছি গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াতে। পরবর্তী সময়ে রবীন্দ্র্রনাথের 'কাবুলিওয়ালা' পড়ে রোমাঞ্চিত হয়েছি এবং তারও পরে সৈয়দ মুজতবা আলীর 'দেশে বিদেশে' পড়ে আফগান জনজীবন সম্পর্কে ধারণা লাভ করেছি। আশির দশকে সেদিনকার সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তানে ঢুকে পড়লে একজন সংবাদকর্মী হিসেবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি এবং সোভিয়েত দখলদারিত্বের অবসানে তালেবানি বিপ্লবের ভয়ংকর চেহারা দেখেছি। অতএব, যুক্তরাষ্ট্রের দখলদারিত্বের অবসানে দেশটিতে যে নতুন সংকট তৈরি হতে যাচ্ছে, তার একটা ধারণা করার চেষ্টা করাই যেতে পারে।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
আফগানিস্তানের জন্য কী অপেক্ষা করছে?
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন