.tdi_2_667.td-a-rec-img{text-align:left}.tdi_2_667.td-a-rec-img img{margin:0 auto 0 0} (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীর (ইন্না লিল্লাহে…রাজেউন)। গতকাল শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এর আগেও ৮৮ বছর বয়সী এ চিত্রশিল্পীকে একাধিকবার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। ফুসফুস ও কিডনি জটিলতার পাশাপাশি হৃদরোগও ছিল তাঁর। জ্ঞানতাপস ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর কনিষ্ঠ সন্তান মুর্তজা বশীরের জন্ম ১৯৩২ সালের ১৭ আগস্ট। জন্মবার্ষিকীর দুদিন আগে চিরবিদায় নিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বরেণ্য এ চিত্রশিল্পীর শিক্ষা জীবন শুরু হয় ঢাকার নবকুমার ইনস্টিটিউশনে। এরপর বগুড়ার করোনেশন ইনস্টিটিউশন, ঢাকা গভর্নমেন্ট ইনস্টিটিউট অব আর্টস (এখন যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ) ও কলকাতা আশুতোষ মিউজিয়ামে শিক্ষা নেন তিনি। এছাড়াও ইতালির ফ্লোরেন্স একাডেমি দেল্লে বেল্লে আরতিতে চিত্রকলা ও ফ্রেস্কো বিষয়ে এবং পরে প্যারিসের ইকোলে ন্যাশিওনাল সুপিরিয়র দ্য বোজার্ট এবং আকাদেমি গোয়েৎসে মোজাইক ও ছাপচিত্রে অধ্যয়ন করেন। ভারতে গিয়ে ‘মন্দির টেরাকোটা শিল্প’ বিষয়ে গবেষণা করেন মুর্তজা বশীর। ১৯৭৩ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগে সহকারী অধ্যাপক পদে যোগ দেন। ১৯৯৮ সালে অধ্যাপক হিসেবে অবসরগ্রহণ করেন। বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে, প্রতিবাদে মুর্তজা বশীর ছিলেন অগ্রভাগে। ‘দেয়াল’, ‘শহীদ শিরোনাম’, ‘কালেমা তাইয়্যেবা’, ‘পাখা’ শিল্পী মুর্তজা বশীরের আঁকা উল্লেখযোগ্য সিরিজ। চিত্রকলায় অবদানের জন্য ২০১৯ সালে স্বাধীনতা পদক, ১৯৮০ সালে একুশে পদক ও ১৯৭৫ সালে শিল্পকলা একাডেমি পদক পেয়েছেন তিনি। তাঁর প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘কাঁচের পাখির গান’, ‘গল্প সমগ্র’; কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘ত্রসরেণু’, ‘তোমাকেই শুধু’, ‘এসো ফিরে অনুসূয়া’, ‘সাদায় এলিজি’। উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘আল্ট্রামেরিন’, ‘মিতার সঙ্গে চার সন্ধ্যে’, ‘অমিত্রাক্ষর’। এছাড়া গবেষণাগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘মুদ্রা ও শিলালিপির আলোকে বাংলার হাবশী সুলতান ও তৎকালীন সমাজ’। চবি রেজিস্ট্রার্ড গ্র্যাজুয়েটস পরিষদের শোক : চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীরের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার্ড গ্র্যাজুয়েটস পরিষদ। সংগঠনের আহ্বায়ক সিন্ডিকেট সদস্য মুক্তিযোদ্ধা এসএম ফজলুল হক ও সিনেট সদস্য প্রফেসর ড. মনজুর উল আমিন চৌধুরী এক শোকবার্তায় মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।.tdi_3_358.td-a-rec-img{text-align:left}.tdi_3_358.td-a-rec-img img{margin:0 auto 0 0} (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.