দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘আজান’ দিয়ে অভিযান শুরু হয়েছিল সম্রাট, জি কে শামিম, পাপিয়া, এনু, রুপম এদের দিয়ে, হালে যুক্ত হচ্ছে ডা. সাবরিনা, মো. সাহেদ, আরিফসহ আরও কিছু নাম। এরইমধ্যে পাপুল, দুর্জয়, এনামুল কিছুটা মাথা তুলেই আবার ডুবে গেছে। দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত সরকার ঘোষণা করেছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। সরকার বারবার বলছে দুর্নীতি যেই করুক ছাড় দেওয়া হবে না কাউকে; দল, মতের ঊর্ধ্বে উঠে বিচার করা হবে সবার। আশার খবর, সন্দেহ নেই। কিন্তু বিষয়টি এমন তো নয় যে কেবল ক্যাসিনোকাণ্ড, টেন্ডারবাজি কিংবা করোনার মিথ্যা রিপোর্টেই সীমাবদ্ধ আছে এই দুর্নীতির খতিয়ান। ব্যাংক কেলেঙ্কারি, শেয়ার বাজার লুট, কেন্দ্রীয় ব্যাংক লোপাট, অবকাঠামো খাত, টাকা পাচার, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদফতর, সংস্থার নানা ধরনের কেনাকাটা, ঘুষ বাণিজ্য, চাঁদাবাজি কোথায় নেই দুর্নীতির কালো থাবা? কালো বেড়াল তো ঘুরছে সর্বত্রই। একটি ঘটনা সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হয় নতুন একটি ঘটনা। নাটকের পর নাটক, থরে থরে সাজানো। কেবল সামনে আসতে যেটুকু সময়। মানুষ কোনটা রেখে কোনটা নিয়ে ভাববে সেটি বুঝতে না বুঝতেই নতুন ঝাঁ চকচকে রঙিন আর একটি নাটক। হ্যাঁ, আমি নাটকই বলবো এটিকে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.