You have reached your daily news limit

Please log in to continue


কারিগরিতে বয়সসীমা বাতিলে অসন্তোষ

দেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এটি বাস্তবায়ন হলে ক্লাসের পরিবেশ নষ্ট এবং সার্টিফিকেটের গুরুত্ব কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। একাধিক শিক্ষার্থী জানান, বয়সসীমা না থাকলে কত বয়সে ভর্তি হয়ে ডিপ্লোমা পড়বে জানি না, কিন্তু সবাই মুরুব্বি বয়সে এসে পদার্থ, গণিত কন্টিনিউ করতে পারবে কী না সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সরকারের তা ভেবে দেখা উচিত।আরেক শিক্ষার্থী জানান, এতেদিন নির্ধারিত বয়সে মানুষ পড়ালেখা করতো, এখন বুড়ো হলেও ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পারবে- এটি হাস্যকর। এতে ক্লাসের পরিবেশ নষ্ট হবে, অভিভাক বয়সের কেউ শিক্ষার্থী হলে অসংকোচ তৈরি হবে। তরুণরা ক্লাসে মনোযোগ হারাবে। সার্টিফিকেটের গুরুত্ব কমে যাবে। জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির সদস্য অধ্যাপক একরামুল কবীর জানান, যদি বয়সসীমা না থাকে তাহলে ভর্তি প্রক্রিয়াটা কেমন হবে? আগে তো এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীরা ডিপ্লোমাতে ভর্তি হবে এমনটা ছিল। যারা ভোকেশনাল বা জেনারেল জানেন এসএসসি পাস করে তারাও ভর্তি হতে পারতো। কিন্তু যখন বয়সসীমা তুলে দেয়া হবে তখন সেখানে ক্লাসের শিক্ষার্থীদের যে একটা সম্পর্ক সেটি থাকবে না। একজনের বয়স ৪০ আরেকজনের ১৮। ‘তবে একটা বিষয় করা যেতে পারে। অনেকের বাস্তব দক্ষতা রয়েছে কিন্তু একাডেমিক দক্ষতা নেই। তাদের জন্য বিশেষ কোর্সের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তবে মেইন স্ট্রিমে এভাবে আনা ঠিক হবে না।’ ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক মিয়া মোহাম্মদ তাহের জামিল জানান, একজন লোক তার যদি দক্ষতা থেকেও থাকে কিন্তু সে যখন চার বছরের জন্য আমাদের এই কোর্সে ভর্তি হবে তখন তাকে তার কর্মক্ষেত্র ছেড়ে অবশ্য ইনস্টিটিউশনাল হতে হবে। এ ক্ষেত্রে সে আবার চার বছর এখানে কোর্স কমপ্লিট করে আবার তার কর্মে গিয়ে পুরোপুরি দক্ষতা রাখতে পারবে কিনা সেটি নিশ্চিত নয়।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন