ছবি সংগৃহীত
পৃথিবীর সবচাইতে রহস্যময় ও ব্যাখ্যাহীন যত ঘটনা! ( পর্ব-২ )
প্রকাশিত: ০৬ আগস্ট ২০১৫, ১৭:১০
আপডেট: ০৬ আগস্ট ২০১৫, ১৭:১০
আপডেট: ০৬ আগস্ট ২০১৫, ১৭:১০
(প্রিয়.কম) আবারও শুরু হয়ে গেলো প্রিয় লাইফের সেই জনপ্রিয় বিভাগ "অমীমাংসিত"। এই বিভাগে আমরা তুলে ধরবো পৃথিবী বিখ্যাত সব সত্যিকারের ভূতের কাহিনী, অমীমাংসিত সব রহস্যময় ঘটনার আদ্যোপান্ত, এমন সব ঘটনা যার কোন ব্যাখ্যা আজতক নেই। কিন্ত ঘটনা গুলো সত্যি আর ঘটেছে এই পৃথিবীর বুকেই। পাঠক পড়ে দেখতে পারেন, হয়তো একটা সমাধান খুঁজে পাবেন আপনি নিজেই! আজ রইলো পৃথিবীর এমন কিছ রহস্যময় ঘটনার কথা, যেগুলোর আজতক কোন ব্যাখ্যা বহু খুঁজেও মেলেনি। আপনি কি কখনো পুনর্জন্ম নেয়া দুই যমজ বোনের গল্প শুনেছেন? হারিয়ে যাওয়া এক শহর, রহস্যময় ৩ কয়েদী আর অদ্ভুতুড়ে এক ধাঁধার কথা জানেন কি? না জেনে থাকলে এই ফিচারটি আজ আপনার জন্যই! রইলো দ্বিতীয় পর্ব।
পোলোকের জমজ বোনেরা
১৯৫৭ সালের ঘটনা। ইংল্যান্ডের এক মা তার সন্তানদেরকে হারান প্রচন্ড এক সংঘর্ষপূর্ণ সড়ক দূর্ঘটনায়। তার ১১ ও ছয় বছর বয়স্ক দুই মেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। ভীষন কষ্ট পান মা। এতটুকু পর্যন্ত সবটা স্বাভাবিকই ছিল। কিন্তু অদ্ভূত ঘটনা ঘটে ঠিক তার পরের বছর। মায়ের কোলে আসে জমজ দুই মেয়ে। যাদের শরীরে ঠিক তাদের মৃত বোনদের শরীরের মতনই জন্মদাগ পাওয়া যায়। ভাবছেন কাকতালীয়? হয়তো! তবে এর পর ধীরে ধীরে মেয়েদের কথা-বার্তা শুনে ও আচার-আচরণ দেখে সন্দেহ জন্মায় মায়ের মনে। মেয়েরা সেসব জিনিস পছন্দ করতো, সেসব জিনিসই চাইতো যেগুলো তাদের মৃত বোনদের ছিল। এমনকি মৃত বোনেরা যেসব স্থানে গিয়েছে সেসব স্থানের কথাও পরিষ্কারভাবে বলে দিত তারা। শুদু তাই নয়, মৃত বোনদের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো আশ্চর্যভাবেই জানতো তারা। অনেক দেখে-শুনে শেষ অব্দি নিঃসন্দেহ হয় সবাই যে এই জমজেরা আর কেউ নয়, সেই মৃত বোনেরাই। মায়ের কোলে আবার নতুনভাবে ফিরে এসেছে তারা। কিন্তু কি করে? আজ অব্দি সে রহস্য রহস্যই রয়ে গিয়েছে।আলকেট্রাজের কয়েদী
১৯৬৩ সালের কথা সেটা। সানফ্রান্সিসকোর আলক্যাট্রাজ জেলে বন্দী ছিল তিন অপরাধী ক্ল্যারেন্স, জন ও ফ্রাঙ্ক। তিনজন বেশ ভালো বন্ধু ছিল তারা। সেদিন প্রহরীরা টহল দেবার সময় এদের তিনজনকেই জেলের ভেতরে দেখে এবং চলে যায়। কিন্তু এরপরেই ঘটে আসল ঘটনা। পরবর্তীতে দেখা যায় সেগুলো আসল মানুষ নয়, ছিল সাবান আর টয়লেট পেপারের তৈরি নকল মানুষ। অনেক খোঁজা হয় এই তিন কয়েদীকে। কী করে পালালো তারা, পালালেও আদৌ শহরে যেতে পেরেছে কিনা কিংবা গেলেও এখনো বেঁচে আছে কিনা আর জানা যায়নি। এই ঘটনার পর থেকে আর কখনো কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি এদের।আটলান্টিস শহর
প্লেটোর লেখায় জানা যায় প্রথম এই দ্বীপ শহরটির কথা। ১০ম শতাব্দীর এই শহরটি ছিল হরকিউলিসের স্তম্ভের কাছে। যেটা কিনা রাতারাতিই তলিয়ে যায় পানির একেবারে নীচে। তবে এই লেখাটি ছাড়া আটলান্টিসের কথা বা প্রমাণ কোথাও আর পাওয়া যায়নি। মনে করা হয় সিসিলি কিংবা আগ্নেয়গিরির ফলে ডুবে যাওয়া সান্তোরিনিই ছিল প্লেটোর ভাষায় আটলান্টিস শহর। তবে সমস্যাটা হচ্ছে এই দুই স্থানের কোনটার পাশেই হারকিউলিসের স্তম্ভ পাওয়া যায়নি। আসলেই কি আটলান্টিস ছিল? কোথায়? রহস্যের সমাধান এখনো হয়নি।অদ্ভুত ধাঁধা
ইংল্যান্ডের স্ট্যাফোর্ডশায়ারের কাছে আঠারো শতকে তৈরি একটি রাখাল মূর্তির কাছে রয়েছে বিখ্যাত এক চিত্র। মূর্তিটি নয়, মূল সমস্যা সেই চিত্রটি নিয়েই। ওতে রয়েছে অদ্ভুত কিছু লেখা। অদ্ভুত আর বিচিত্র সেই সংকেতের দ্বারা যিশু খ্রিষ্টের ব্যবহৃত পবিত্র শেষ খাবারের পাত্রটির পথ বলা হয়েছে বলে ধারনা করেন অনেকে। সংকেতটি ভাঙার কোন যে চেষ্টা করা হয়নি তাও নয়। চার্লস ডিকেন্স ও ডারউইন অব্দি শ্রম দিয়েছেন এর পেছনে। তবে লাভ হয়নি। সংকেতের অর্থ উদ্ধার করা যায়নি এখনো। তথ্যসূত্র- 15 biggest unsolved mistrries in the world -www.dangerdolan.tv/15-biggest-unsolved-mysteries-in-the-world
প্রথম আলো
| ঢাকা
১ ঘণ্টা, ২১ মিনিট আগে
২ ঘণ্টা, ১৭ মিনিট আগে
২ ঘণ্টা, ২৮ মিনিট আগে
২ ঘণ্টা, ২৯ মিনিট আগে
২ ঘণ্টা, ৩০ মিনিট আগে
২ ঘণ্টা, ৩১ মিনিট আগে
৩ ঘণ্টা, ২৬ মিনিট আগে
৩ ঘণ্টা, ২৬ মিনিট আগে
৫ ঘণ্টা, ১ মিনিট আগে
৫ ঘণ্টা, ৩ মিনিট আগে