এই ধুলোমাখা পথ পেরিয়ে শিশুসন্তানকে কোলে নিয়ে তাদের নিত্যদিনের চলাচল। এই ধুলো শুধুই নাগরিক বিড়ম্বনা তৈরি করছে না, এতে পাওয়া গেছে মানবদেহ জন্য মারাত্বক ক্ষতিকারক ভারী ধাতু।ঢাকার ২২ সড়কের ৮৮ স্থানের বাতাসে ভারী ধাতু শনাক্ত: ক্যাডমিয়াম প্রায় ২০০ গুণ বেশি, নিকেল ও সিসার মাত্রা দ্বিগুণ, ক্রোমিয়াম তিন গুণের বেশি।এসব সূক্ষ্ণ ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বস্তুকণা ত্বকের সংস্পর্শে আসছে; শ্বাসপ্রশ্বাস খাদ্য ও পানিয়র মাধ্যমে মানুয়োর শরীরেও প্রবেশ করছে।পরিবেশঘরের বাইরে তো বটেই, ঘরবাড়ি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ ও খেলাম মাঠেও বাড়ছে অতি ক্ষুদ্র বস্তুকণা। তৈরি হচ্ছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি।রাজধানীর গাবতলী থেকে মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ। মিরপুর ১নম্বর থেকে ১০ নম্বর গোলচত্বর হয়ে আগারগাঁও, যেখানেই যাবেন আর কিছু পান না পান, নাকে-চোখে ধুলা আর ধোঁয়া ঠিকই পাবেন। সকাল থেকে বিকাল বা রাত-কোনো সমেই এই দুঃসহ অবস্থা থেকে মুক্তি নেই। ডিসেম্বর থেকে আবহাওয়া শুল্ক হাওয়া শুরু করলে, শীত জেঁকে বসলে ধুলার ধূষণও বাড়তে থাকে।চলতি সাপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৯ সালের ১০টি স্বাস্থ্যঝুঁকি চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে এক নম্বর ছুঁকি হলো বায়ুধূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন। আর গত বছর সংস্থাটির হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে ধুষত শহরগুলোর মধ্যে য়াকা ছিল তৃতীয়।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.