You have reached your daily news limit

Please log in to continue


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ইতিহাসের পাতা থেকে

এবছর যুক্তরাষ্ট্রে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে এবং তারা কংগ্রেসের অন্তত একটি বা উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে পারে বলেই সাধারণভাবে সবাই মনে করছে।

তবে সম্ভাব্য সেই জয়ের ব্যবধান কতটা বড় হবে, তা আগেভাগে অনুমান করা কঠিন। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে জয়ী দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতার আকার বা আসনসংখ্যার ব্যবধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেন এই ব্যবধান এত তাৎপর্যপূর্ণ, তা বুঝতে ফিরে তাকাতে হবে উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে; যখন নাটকীয় দুটি মধ্যবর্তী নির্বাচন গোটা জাতির রাজনৈতিক গতিপথ চিরতরে বদলে দিয়েছিল।

রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া দুই ঐতিহাসিক মধ্যবর্তী নির্বাচন

মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা যাকে রাজনীতির ‘পুনর্বিন্যাস’ বা ‘রি-অ্যালাইনমেন্ট’ বলেন, উনবিংশ শতকের শেষভাগে দুটি মধ্যবর্তী নির্বাচন তার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল:

১৮৭৪: বদলে যাওয়া আমেরিকার গতিপথ

আমেরিকার গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী ‘পুনর্গঠন’ (রিকনস্ট্রাকশন) পর্ব কীভাবে শেষ হয়েছিল, তা নিয়ে একটি সরল ইতিহাস প্রায়ই পড়ানো হয়: ১৮৭৬ সালের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী রাদারফোর্ড বি হেইজ পপুলার ভোটে হেরেও একটি আপস চুক্তির মাধ্যমে ক্ষমতায় বসেন।

সেই চুক্তির শর্ত ছিল, দক্ষিণাঞ্চলের অঙ্গরাজ্যগুলো থেকে কৃষ্নাঙ্গদের সুরক্ষায় নিয়োজিত কেন্দ্রীয় সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। হেইজ হোয়াইট হাউজে বসলেও এর চরম মূল্য দিতে হয়েছিল কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকদের।

সংবিধানে পাওয়া তাদের ভোটাধিকার ও নাগরিক অধিকার হরণে দক্ষিণের অঙ্গরাজ্যগুলোর সামনে আর কোনো বাধা থাকেনি।

কেন্দ্রীয় সরকারের সেনা চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দক্ষিণের শ্বেতাঙ্গ ডেমোক্র্যাটরা মুক্ত ও প্রাক্তন দাস কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকানদের সব রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার কেড়ে নেয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন