দুয়ারে মধ্যবর্তী নির্বাচন: কংগ্রেসে ক্ষমতার পরিবর্তন কীভাবে বদলে দেয় যুক্তরাষ্ট্রের নীতি?
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের চার বছরের মেয়াদের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে মধ্যবর্তী নির্বাচন। ভোটাররা দেশটির কংগ্রেস সদস্যের পাশাপাশি রাজ্যগুলোর গভর্নর এবং অন্যান্য রাজ্য ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের নির্বাচন করবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা ভিন্ন। তাদের শাসনব্যবস্থা বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মতো নয়, যেখানে জনগণ সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোট দেয় এবং যে দল সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তারাই সরকার গঠন করে এবং তাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী হন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবং কংগ্রেস নির্বাচন সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে দেশের প্রেসিডেন্ট বেছে নেওয়ার জন্য আলাদা ভোট হয় এবং সংসদের সদস্যদের (সেনেট ও হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) নির্বাচিত করার জন্য সম্পূর্ণ আলাদা ভোট হয়। একটির ফলের ওপর অন্যটি সরাসরি নির্ভর করে না।
প্রেসিডেন্ট নির্দিষ্ট চার বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন এবং কংগ্রেসে তার দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেও তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষমতাচ্যুত হন না। তারপরও মধ্যবর্তী নির্বাচন কোনও প্রেসিডেন্টের আইন পাস করা, বাজেট বরাদ্দ অনুমোদন করা এবং তার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার ক্ষমতার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্রেট দল প্রতিনিধি পরিষদে আবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরে পেতে পারে, যদিও সেনেটে জয়লাভ করাটা তাদের জন্য তুলনামূলকভাবে কঠিন।
- ট্যাগ:
- আন্তর্জাতিক
- মধ্যবর্তী নির্বাচন