বিদ্যুতের মিটার ভাড়া ও ডিমান্ড চার্জ নিয়ে প্রশ্ন-আপত্তি কেন?

বিবিসি বাংলা (ইংল্যান্ড) প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪২

বিদ্যুতের বিল নিয়ে সম্প্রতি গ্রাহকদের বড় ধরনের অসন্তোষ ও ক্ষোভ দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশে। জুন মাসে নতুন দাম নির্ধারণের পর শহর-গ্রাম নির্বিশেষে প্রিপেইড ও পোস্টপেইড মিটার ব্যবহারকারীদের অনেকেই ব্যয় অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ করছেন।


বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে অতিরিক্ত মিটার ভাড়া, ডিমান্ড চার্জের নামে যে টাকা আদায় করা হচ্ছে সেটি নিয়েও আপত্তি ও প্রশ্ন তুলছেন ভোক্তারা।


বর্তমানে আবাসিক গ্রাহকদের জন্য সাতটি স্ল্যাব রয়েছে। যতটুকু বিদ্যুৎ ব্যবহার করবে তার উপর স্ল্যাব অনুযায়ী নির্দিষ্ট রেটে বিদ্যুতের বিল হবে।


বিদ্যুতের নতুন মূল্য অনুযায়ী ৪০০ ইউনিটের পর থেকে প্রতি ইউনিটের মূল্য ১৫.০১ টাকা। আর ৬০০ ইউনিটের বেশি খরচ করলে পরবর্তী প্রতি ইউনিট ১৭ টাকা ৩৫ পয়সা দরে গ্রাহককে পরিশোধ করতে হয়। এই বিলের সঙ্গে যুক্ত হয় ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট।


একটি বিদ্যুৎ বিল যখন গ্রাহকের কাছে আসছে সেখানে কত ইউনিট ব্যবহার হচ্ছে সেই হিসাব উল্লেখ থাকে। এছাড়া গ্রাহকের লোড অনুযায়ী কিলোওয়াট প্রতি ৪২ টাকা ডিমান্ড চার্জ।


মিটার কেনা না থাকলে তার ভাড়াও যোগ হচ্ছে। এছাড়া পূর্ববর্তী মাসের বকেয়া থাকলে সেই বিল এবং তার সাথে বিলম্ব মাশুলও থাকছে নতুন বিলে।


অর্থাৎ বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে অতিরিক্ত হিসেবে ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট, বিলম্ব মাশুল এবং প্রযোজ্য হলে প্রিপেইড মিটার ভাড়া বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে যুক্ত হয়।


পোস্টপেইড বিলে এসব চার্জ উল্লেখ করে বিল গ্রাহকের কাছে সরবরাহ করে বিতরণ সংস্থাগুলো। আর প্রিপেইড মিটার হলে টাকা ঢোকানোর সময় বিভিন্ন চার্জ কেটে তারপর বাকি টাকা বিদ্যুতের দাম হিসেবে মিটারে প্রদর্শন করা হয়।


বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেও শুধু কানেকশন থাকলেই প্রতিমাসে ডিমান্ড চার্জ এবং মিটার ভাড়া গুনতে হয় গ্রাহকদের।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও