শ্রীকৃষ্ণের ধরাধাম যাত্রাবির্ভাব

www.ajkerpatrika.com বিমল কর প্রকাশিত: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৮

সনাতন হিন্দু ধর্মানুসারীরা শ্রীকৃষ্ণকে ভগবান জ্ঞানের উচ্চাসনের মান্যতা দিয়ে এঁর আরাধনা করেন। এখন থেকে প্রায় সোয়া ৫ হাজার বছর আগে অথবা খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় সোয়া ৩ হাজার অব্দের কথা। ভাদ্রের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথির রোহিণী নক্ষত্রযোগে তাঁর আবির্ভাব, এই ধরাধামে। তবে মুক্ত কোনো স্বাভাবিক ও সাধারণ আঁতুড়ঘরে নয়। সুরক্ষিত কারাগারের অন্ধকারের বন্ধ প্রকোষ্ঠে। তাও আবার সরাসরি দোর্দণ্ড প্রভাবশালী, দুর্বিনীত প্রতাপশালী উদ্যম শক্তির অহংকারী এক রাজার নির্দেশিত নির্ধারিত কারাগারে। বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত, বাছাইকৃত সেরা প্রহরীদের দ্বারা বিশেষ আয়োজনে পাহারার ব্যবস্থাকে এতই উচ্চ সতর্কতায় নিশ্ছিদ্র করে রাখা হয়েছিল যে কারাগারের ভেতর থেকে বাইরে যেতে এবং বাইরে থেকে ভেতরে যেন একটি মাছি গলেও প্রবেশ করতে না পারে। কিন্তু মাতৃজঠরে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠে, রাজার সৃষ্ট নানা প্রতিকূলতাকে অগ্রাহ্য ও জয় করে যে তিথিতে তিনি এই পৃথিবীতে এসেছিলেন, এই কারাপ্রকোষ্ঠে জন্মেছিলেন, এর স্মারক জন্মাষ্টমী। পারিবারিক পরিসরে, সামাজিক ব্যাপ্তিতে দিনটি উদ্‌যাপিত হয় ভক্তের অর্ঘ্য নিবেদনে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এই দিনটি পালন করেন নানা আয়োজনে, আনন্দ-উৎসবে।


মহাপরাক্রমশালী সেই মথুরার রাজা কংস। স্বেচ্ছাচার ও স্বৈরাচারের পরাকাষ্ঠা রাজা কংসের অত্যাচারে তখন মথুরার প্রজাকুল অতিষ্ঠ। চারদিকে ত্রাহি ত্রাহি দশার বিরাজিত পরিবেশে, কৃষ্ণের আবির্ভাব সহজসাধ্য ছিল না। রাজা আকাশবাণী থেকে আগেই জেনে গিয়েছিলেন, তাঁর রাজ্যে এমন এক শিশু জন্ম নেবেন, কালক্রমে এই শিশুর হাতেই হবে তাঁর চূড়ান্ত পরাজয় ও জীবনের শেষ পরিণতি। ভীতসন্ত্রস্ত রাজা পাগলপ্রায় হয়ে এই দৈববাণী এড়াতে কিংবা এর প্রতিফলন নস্যাত করে দিতে প্রথমে কৃষ্ণের গর্ভধারিণী দেবকীকে হত্যায় উন্মত্ত হয়ে ওঠেন। পরে অবশ্য দেবকীর গর্ভজকে ভূমিষ্ঠের সঙ্গে সঙ্গে কংসের হাতে তুলে দেওয়ার আশ্বাস স্বামী বসুদেবের তরফে পেয়ে, রাজা প্রথম পরিকল্পনার পরিবর্তন এনে দেবকী-বসুদেব দম্পতিকে নিজ জিম্মার কারাবাসে প্রেরণ করেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও