You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বয়স্ক মানুষের পড়ে যাওয়া: গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসংকেত

বাড়ির বাথরুমে পা পিছলে গেল, বিছানা থেকে উঠতে গিয়ে ভারসাম্য হারালেন, কিংবা রাস্তায় সামান্য উঁচু জায়গায় হোঁচট খেলেন—বয়স বাড়লে এমন ঘটনা আমরা প্রায় স্বাভাবিক বলেই ধরে নিই। পরিবারের মানুষ বলেন, “বয়স হয়েছে, একটু-আধটু তো পড়বেই।”

কিন্তু পড়ে যাওয়া বার্ধক্যের অনিবার্য অংশ নয়। অনেক ক্ষেত্রে এটি দুর্বল পেশি, রক্তচাপের পরিবর্তন, চোখের সমস্যা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, স্নায়ুর রোগ কিংবা ঘরের অনিরাপদ পরিবেশের আগাম সতর্কসংকেত।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৬ লাখ ৮৪ হাজার মানুষ পড়ে গিয়ে মারা যান। ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের মধ্যে প্রাণঘাতী পড়ে যাওয়ার ঘটনা সবচেয়ে বেশি। চিকিৎসার প্রয়োজন হয়—এমন গুরুতর পড়ে যাওয়ার সংখ্যা বছরে প্রায় ৩ কোটি ৭৩ লাখ।

একটি পড়ে যাওয়া কী বদলে দিতে পারে?

পড়ে গেলে শুধু হাত-পা কেটে যাওয়া নয়; কবজি, মেরুদণ্ড বা কোমরের হাড় ভেঙে যেতে পারে। মাথায় আঘাত, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতাও হতে পারে।

কোমরের হাড় ভাঙার পর অনেক বয়স্ক মানুষ আগের মতো স্বাধীনভাবে হাঁটা বা নিজের কাজ করার ক্ষমতা ফিরে পান না। হাসপাতালে ভর্তি, অস্ত্রোপচার, পুনর্বাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার প্রয়োজন হতে পারে।

শারীরিক আঘাত না লাগলেও মানসিক ক্ষতি হয়। একবার পড়ে গেলে অনেকেই আবার পড়ে যাওয়ার ভয়ে হাঁটাচলা কমিয়ে দেন। এতে পেশি আরও দুর্বল হয়, ভারসাম্য কমে এবং পরবর্তীবার পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়ে। অর্থাৎ ভয় থেকে নিষ্ক্রিয়তা, আর নিষ্ক্রিয়তা থেকে নতুন ঝুঁকি—একটি দুষ্টচক্র তৈরি হয়।

কেন বয়স্ক মানুষ বেশি পড়ে যান?

সাধারণত একটি কারণ নয়, কয়েকটি কারণ একসঙ্গে কাজ করে।

বয়সের সঙ্গে পেশিশক্তি ও ভারসাম্য কমতে পারে। হাঁটু বা কোমরের ব্যথা, আর্থ্রাইটিস, পায়ের অসাড়তা, পারকিনসনস ডিজিজ, স্ট্রোকের পর দুর্বলতা কিংবা স্মৃতিশক্তির সমস্যা হাঁটাকে অনিরাপদ করতে পারে।

চোখে ছানি, গ্লুকোমা বা চশমার পাওয়ার ঠিক না থাকলে সিঁড়ি, মেঝের উঁচু-নিচু অংশ বা সামনে থাকা বস্তু বুঝতে অসুবিধা হয়। শ্রবণশক্তির সমস্যাও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা কমাতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন