বিমানের কাউন্টারে টাকার খেলা

যুগান্তর প্রকাশিত: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২০

হাতে বৈধ কাগজপত্র। ভিসা-টিকিটও ঠিকঠাক। তবুও বোর্ডিং পাশের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা যাত্রীদের আটকে রাখা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত ‘সমস্যা সমাধান’-এর নামে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। অতিরিক্ত ব্যাগেজের অর্থ আত্মসাৎ থেকে শুরু করে ইকোনমি ক্লাসের টিকিট বিজনেস ক্লাসে আপগ্রেড-সবখানেই চলছে টাকার খেলা। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্যাসেঞ্জার ও গ্রাউন্ড সার্ভিস বিভাগের কর্মীদের একটি অসাধু চক্র এভাবেই গড়ে তুলেছে যাত্রী হয়রানি ও অর্থ লোপাটের বিশাল সিন্ডিকেট। যুগান্তরের মাসব্যাপী অনুসন্ধানে এমন গুরুতর অনিয়মের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর্মীদের এমন কার্যকলাপে যাত্রীরা যেমন চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তেমনই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।


এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম যুগান্তরকে বলেন, বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা কোনোভাবেই অর্থ আদায়ের হাতিয়ার হতে পারে না। বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও কোনো যাত্রীকে অযথা আটকে রেখে হয়রানি করা হলে তা অত্যন্ত গুরুতর অনিয়ম। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সিস্টেম লগ, ব্যাগেজ ট্যাগ, পেমেন্ট রেকর্ড ও সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করতে হবে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি বিমানবন্দরের সেবা ব্যবস্থায় কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।


বিমানের গ্রাহকসেবা বিভাগের পরিচালক বদরুল হাসান লিটন যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে এয়ারপোর্ট সার্ভিস বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা খোঁজ নিয়ে দেখছে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে তদন্ত করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে-যাত্রী হয়রানি রোধে জিরো টলারেন্স।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও