You have reached your daily news limit

Please log in to continue


৪৭ হাজার কোটির সিগারেট খাতে ফাঁকির নেটওয়ার্ক, নজরদারিতে ২৭ টিম

গত ১১ আগস্ট মানিকগঞ্জের শিবালয়ে বিউটি টোব্যাকো নামের একটি কোম্পানিতে পুলিশ ও কাস্টমসের যৌথ দল অভিযান চালায়। অভিযানে ‘কিং ব্ল্যাক’, ‘ডি অ্যান্ড জি’, ‘ডলার’, ‘সেনর গোল্ড’ ও ‘বার্বি’ ব্র্যান্ডের ৩ লাখ ৭০ হাজার শলাকা সিগারেট এবং ১৩ হাজার ট্যাক্স স্ট্যাম্প বা ব্যান্ডরোল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে ৯০ হাজার শলাকায় নকল ব্যান্ডরোল ও ১৩ হাজার পিস অব্যবহৃত নকল ব্যান্ডরোলের উপস্থিতি মেলে, যার মাধ্যমে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ টাকা শুল্ক-কর ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।

এর আগে ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর ঈশ্বরদীর ইউনাইটেড টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের কারখানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পায় ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। সেই অভিযানে ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৫৯০ শলাকা জাল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট এবং ১০ লাখ ২৯ হাজার পিস অব্যবহৃত জাল ব্যান্ডরোল জব্দ করা হয়।

বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত অভিযানে এমন অসংখ্য উদাহরণ পাওয়া যায়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-সহ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুধু ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব ফাঁকি ও জাল ব্যান্ডরোল চক্রের বিরুদ্ধে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১৮ হাজার অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অর্থাৎ আড়ালেই সবসময় নকল সিগারেট, নকল ও পুনর্ব্যবহৃত ব্যান্ডরোল, চোরাচালান এবং সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (এমআরপি) চেয়ে বেশি দামে বিক্রির মাধ্যমে বিপুল রাজস্ব ফাঁকির প্রক্রিয়া সক্রিয় রয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন