হামলায় মুখ ‘বিকৃত’, ছয় মাস লোকচক্ষুর আড়ালে—ইরানের সর্বোচ্চ নেতা কি সত্যিই ক্ষমতায়
যুদ্ধ শুরুর ছয় মাস পরও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি, তাঁর কণ্ঠও শোনা যায়নি। যুদ্ধের শুরুর দিনই মার্কিন–ইসরায়েলি বিমান হামলায় গুরুতর আহত হয়ে পরে দায়িত্ব নেওয়া খামেনি এখনো পুরোপুরি অন্তরালে। ফলে ইরানের নেতৃত্বের কেন্দ্রেই একধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নও ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। মধ্যপ্রাচ্যকে অগ্নিগর্ভ করে তোলা এই যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার মুখে ইরান। একই সময়ে দেশটির আগে থেকেই নাজুক অর্থনীতিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের কর্মকর্তারা ও দেশটির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সূত্র বলছেন, খামেনি এখনো ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন। নিরাপত্তার কারণে তিনি আড়াল থেকেই দেশ পরিচালনা করছেন। গুরুতর আঘাতে তাঁর চেহারায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। দৈনন্দিন প্রশাসনের বড় একটি অংশ পরিচালনার ভার তিনি শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কর্মকর্তার হাতে ছেড়ে দিয়েছেন।