রাতে ঘুমাতে গেলেই নাক বন্ধ, এটা কি রোগের ইঙ্গিত?

কালের কণ্ঠ প্রকাশিত: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ২১:৪২

সারা দিন সবঠিক নাক দিয়ে শ্বাস নিচ্ছেন। কিন্তু ঘুমাতে যাওয়ার পরই যেন সমস্যা শুরু। দেখা যায় নাক বন্ধ, কখনো দুই পাশই ভারী হয়ে আসে তাই মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখা যায় নাক বন্ধের সঙ্গে গলা শুকিয়ে আছে বা খুসখুস করছে। অথচ দিনের বেলায় তেমন কোনো সমস্যা নেই। খবর এনডিটিভি


শুধু ঠান্ডা লাগা বা সর্দি-কাশিই যে এর কারণ, তা নয়।

ঘুমানোর সময় শরীরের অবস্থান পরিবর্তন, হরমোনের ওঠানামা, অ্যালার্জি, নাকের ভেতরের প্রদাহ এমনকি অ্যাসিড রিফ্লাক্সও রাতের নাক বন্ধ হওয়ার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।অ্যাস্টার হোয়াইটফিল্ড হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের লিড কনসালট্যান্ট ও প্রধান ডা. সুব্রত দাসের মতে, রাতে শরীরে বেশ কিছু স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে, যার কারণে নাক বন্ধভাব দিনের তুলনায় বেশি অনুভূত হতে পারে।


রাতে ঘুমাতে গেলেই কেন নাক বন্ধ  


রাতে ঘুমের সমস্যার কারণ নিয়ে কথা বলতে গেলে ঘুমানোর ভঙ্গির দিকে নজর দিতে হবে। দিনের বেলায় আমরা সাধারণত সোজা হয়ে থাকি।

ফলে মাধ্যাকর্ষণের কারণে নাকের ভেতরের মিউকাস বা তরল সহজে নিচের দিকে নেমে যায়। কিন্তু বিছানায় শুয়ে পড়লে সেই নিষ্কাশনের প্রক্রিয়া বদলে যায়। নাকের ভেতরে মিউকাস জমে গিয়ে শ্বাস নেওয়ার পথ কিছুটা সংকুচিত হতে পারে। এ কারণেই অনেকের ক্ষেত্রে ঘুমানোর কিছুক্ষণ পর নাক বন্ধের সমস্যা বেশি অনুভূত হয়।


হরমোনের মাত্রা পরিবর্তন


রাতে শরীরে কিছু হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই পরিবর্তিত হয়।

এর মধ্যে কর্টিসল অন্যতম। কর্টিসলের প্রদাহ কমানোর ভূমিকা রয়েছে এবং রাতে এর মাত্রা তুলনামূলক কম থাকে। ফলে যাদের আগে থেকেই নাকের ভেতরে অ্যালার্জি বা প্রদাহের প্রবণতা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে রাতে নাকের ভেতরের ফোলা বা প্রদাহ বেশি অনুভূত হতে পারে। এর ফলে নাক দিয়ে বাতাস চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। এ ছাড়া স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রমের পরিবর্তনও নাকের ভেতরের রক্তনালি ও মিউকাস তৈরির টিস্যুর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে নাক বন্ধ বা অতিরিক্ত সর্দির অনুভূতি তৈরি হতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও