চট্টগ্রামে কথায় কথায় গুলি, বেপরোয়া সন্ত্রাসীরা

প্রথম আলো চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন প্রকাশিত: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৮

‘ঘুমের মধ্যে হঠাৎ ঠাস ঠাস আওয়াজ শুনি। বাচ্চারা আতঙ্কিত হয়ে দিগ্‌বিদিক হয়ে ছোটাছুটি শুরু করে। উঠে জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখি, খালের ওপারের বাড়িতে গুলি হচ্ছে। জানালার গ্লাসগুলো ভাঙা। সন্ত্রাসীরা চলে যাচ্ছে।’


চট্টগ্রামের চকবাজার থানার চন্দনপুরায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলির বর্ণনা এভাবেই দিচ্ছিলেন পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসা হযরত মুয়াজ বিন জবলের শিক্ষক হাফেজ মো. রেজাউল কবির। ২০১৭ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষকতা করা এই ব্যক্তি বললেন, ‘আমি এই এলাকায় আগে কখনো এমন ঘটনা দেখিনি, শুনিওনি।’


চার সন্ত্রাসী পিস্তল, এসএমজি, চায়নিজ রাইফেল ও শটগান হাতে এসে যখন চন্দনপুরার এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি করে, তখন সেখানে পুলিশের পাহারা ছিল। চাঁদার টাকা না পেয়ে সন্ত্রাসীরা এসে প্রকাশ্যে গুলি করে নির্বিঘ্নে চলে যায়। অথচ পুলিশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ তৈরি করতে পারেনি।


গত ২৮ ফেব্রুয়ারির এ ঘটনা নিয়ে স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে জানান, সন্ত্রাসী সাজ্জাদ প্রথমে ১০ কোটি টাকা, পরে ৫ কোটি টাকা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় গত ২ জানুয়ারিও তাঁর বাসায় গুলি করা হয়। ওই ঘটনার পর বাসার সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং একটি মামলাও হয়। এরপরও চাঁদা না পেয়ে ২০ দিন আগে হোয়াটসঅ্যাপে একটি বার্তা দেন সাজ্জাদ। এতে লেখা হয়, ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’।


চট্টগ্রাম শহরের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির একটা চিত্র উঠে এসেছে এ ঘটনার মাধ্যমে। যেখানে পুলিশ পাহারা আছে, সিসি ক্যামেরা আছে, মামলা আছে—তবু সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে এসে গুলি করে অস্ত্র উঁচিয়ে চলে যেতে পারে। একই ধারা দেখা গেছে নগরের বায়েজিদ, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ, বাকলিয়া, খুলশী, হাটহাজারী–সংলগ্ন এলাকা, এমনকি পতেঙ্গা সৈকতের মতো জনসমাগমপূর্ণ জায়গায়ও।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও