রাজধানীতে মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে জমি দখল ও জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের চারটি ঘটনা সামনে আনছে নতুন বাস্তবতা।
এসব ঘটনায় কোথাও কয়েক ডজন মানুষ, কোথাও শতাধিক লোক সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। কয়েকটি ঘটনায় স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিতে ভারী যন্ত্রপাতিও ব্যবহার করা হয়েছে।
জমি দখল, ফুটপাত ও খালি জায়গা দখল, নির্মাণকাজে বাধা এবং বিভিন্ন ধরনের চাঁদাবাজির অভিযোগ রাজধানীতে নতুন নয়। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে সংঘবদ্ধভাবে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ধরন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
ঢাকার অপরাধ নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করা সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ কেউ এসব ঘটনাকে সাম্প্রতিক সময়ের ‘মব’ বা সংঘবদ্ধ সহিংসতার প্রবণতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন।
তারা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে যে কায়দায় বুলডোজার চলেছে, সেই একই কায়দায় বুলডোজার চলেছে মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্য কেন্দ্রেও।
মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানের একটি কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, আদাবরের শেখেরটেক এলাকায় একটি নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা এবং ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদী এলাকায় নিউ গিনি প্রপার্টিজের প্রকল্পে হামলা ও কনটেন্ট নির্মাতা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে আলোচনা চলছে কয়েক দিন ধরেই।