পণ্য কিনে মাদকে মূল্য পরিশোধ: মিয়ানমার সীমান্তে নার্কো-কারেন্সির রমরমা

ডেইলি স্টার প্রকাশিত: ০২ আগস্ট ২০২৬, ১১:১২

বাংলাদেশে মাদক সমস্যা দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ মাদকসেবী। যেহেতু বাংলাদেশে সরাসরি কোনো মাদক তৈরি হয় না, তাই এর প্রায় পুরোটাই সীমান্ত দিয়ে পাচার হয়ে দেশে আসে। চার পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদনে দ্য ডেইলি স্টার মাদক পাচারের রুট, হুমকি ও এর প্রভাব অনুসন্ধান করেছে। এই দ্বিতীয় পর্বে তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে সীমান্ত বাণিজ্যে অর্থের বদলে মাদককেই মূল্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।


মিয়ানমারের রাখাইনে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় বাংলাদেশি চোরাচালানকারীরা দীর্ঘদিন ধরে তৈরি পোশাক, নির্মাণসামগ্রী, জ্বালানি ও খাবার পাঠাচ্ছে। তবে এই অবৈধ কারবারে নগদ অর্থ এখন আর একমাত্র লেনদেনের মাধ্যম নয়। নিত্যপণ্যের বিনিময়ে মাদকের আদান-প্রদান ‘নার্কো-কারেন্সি’ বা মাদক-মুদ্রা হিসেবে কাজ করছে।


কর্মকর্তা ও পাচারকারী চক্রের সঙ্গে পরিচিত সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রাখাইনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে আরাকান আর্মিসহ মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো। তারা এখন চোরাচালান করা বাংলাদেশি পণ্যের আংশিক মূল্য মেটাতে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ (আইস) ব্যবহার করছে।



তারা জানান, বঙ্গোপসাগরের নৌপথ ব্যবহার করে এই লেনদেন চলছে। মাছ ধরার ট্রলারে করে বাংলাদেশ থেকে খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যায়, আর ফেরার পথে আনা হয় মাদকের চালান।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও