প্রশ্নপত্র যখন মুখস্থের খাঁচা ভেঙে কল্পনার দরজা খুলে দেয়

প্রথম আলো মো. আব্বাস প্রকাশিত: ০৮ জুলাই ২০২৬, ২০:১২

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রটি কয়েক দিন ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অসংখ্য মানুষ সেটি শেয়ার করছেন। কেউ বিস্ময় প্রকাশ করছেন, কেউ প্রশংসা করছেন, কেউ আবার বলছেন, ‘পরীক্ষার প্রশ্নও এত সুন্দর হতে পারে!’


আমি নিজেও প্রশ্নপত্রটি কয়েকবার পড়েছি। অনেকক্ষণ চুপ করে ছিলাম। পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল, এটি যেন কোনো ভর্তি পরীক্ষা নয়, বরং একজন শিক্ষক তাঁর সামনে বসা একজন তরুণকে বলছেন, ‘এসো, তোমার মতো করে পৃথিবীটাকে আমাকে বোঝাও।’


প্রশ্নগুলো লক্ষ করুন—
‘সাহিত্যে পড়া বা সিনেমায় দেখা সবচেয়ে শক্তিশালী নারী চরিত্র।’
‘তোমার ছোটবেলার ইচ্ছেগুলো, থমকে যাওয়াগুলো।’
‘ঈশ্বরকে যদি পাঁচটি প্রশ্ন করার সুযোগ পেতে...’
‘যে বইটি তোমার প্রিয়জনকে উপহার দিতে চাও।’
‘প্রিয় সাহিত্যিকের উদ্দেশে লেখা তোমার খোলা চিঠি।’
‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সুখের কথা, ভয়ের কথা।’


একটি প্রশ্নপত্র একজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে কী জানতে চাইতে পারে, তার অসাধারণ উদাহরণ যেন এগুলো। এখানে কোথাও জিজ্ঞেস করা হয়নি—কোন কবিতা কত সালে লেখা হয়েছে, কোন লেখকের জন্মসাল কত, কোন বইয়ের প্রকাশকাল কী কিংবা কোনো সংজ্ঞার শব্দ হুবহু মুখস্থ আছে কি না।


বরং প্রশ্নগুলো জানতে চাইছে, তুমি কী ভাবো? তুমি কী অনুভব করো? তোমার ভাষা কতটা জীবন্ত? তুমি পৃথিবীকে কীভাবে দেখো?

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও