হিন্দুত্ববাদের দুর্গে তেলাপোকাদের হানা ও ভারতের নতুন রাজনীতি

প্রথম আলো সালেহ উদ্দিন আহমদ প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২৬, ১৫:৫১

দেশে দেশে শাসক ও সরকার পরিবর্তন নতুন কিছু নয়, আদিকাল থেকেই হয়ে আসছে। প্রাচীন গ্রিসে কোথাও রাজা আবার কোথাও মুষ্টিমেয় বুদ্ধিজীবী রাজ্য চালাতেন। যখনই তাঁদের বিরুদ্ধে অসন্তোষ দেখা দিত, নতুন রাজা বা নতুন বুদ্ধিজীবীরা এসে ক্ষমতা দখল করতেন।


কোথাও কোথাও এখনো রাজতন্ত্র আছে। তবে পুরোনো রাজারা যে হারে বিদায় হচ্ছেন, সেই তুলনায় নতুন রাজা আসছেন না। মিসরের সাবেক রাজা ফারুককে যখন বিদায় নিতে হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন, বিশ্বে শেষ পর্যন্ত মাত্র পাঁচজন রাজা অবশিষ্ট থাকবেন—তাসের চার রাজা এবং ইংল্যান্ডের রাজা।


তাঁর কথাই হয়তো একদিন সত্য হবে। তবে রাজা চলে গেলেও রাজপ্রাসাদের দাবিদারের কমতি নেই। আমরা কথা বলব ক্ষমতা কীভাবে যুগে যুগে হাত বদলেছে এবং কীভাবে এখন জেন-জি ও তেলাপোকারাও ক্ষমতার ভাগীদার হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আধুনিক সময়ে যেখানে রাজতন্ত্র নেই, সেই সব দেশে নির্বাচনকে সরকার পরিবর্তনের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু নির্বাচনের অনেক প্রকারভেদ আছে। রাজনীতিবিদেরা নিজেদের সুবিধার জন্য অনেক কিসিমের নির্বাচন উদ্ভাবন করেছেন। যেমন আনুপাতিক হারে নির্বাচন, মৌলিক নির্বাচন, রাতের নির্বাচন, তুমি-আমি নির্বাচন, হ্যাঁ-না নির্বাচন, বিরোধীদের বাদ দিয়ে নির্বাচন।


তা ছাড়া কয়টা নির্বাচনই বা সুষ্ঠু হয়? অনুন্নত দেশগুলোতে অনেক সময় জনগণের এত ধৈর্য থাকে না যে পরের নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করবে, তার আগেই শুরু হয় সরকার পরিবর্তনের তোড়জোড়।


একসময় দেশে সরকার পরিবর্তন হতো সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল বা মার্শাল লর মাধ্যমে। দেশে অসন্তোষ দেখা দিলে কিংবা উপযুক্ত সুযোগ থাকলে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করত। আমাদের দেশেও অনেকবার মার্শাল ল হয়েছে। সেনাশাসকেরা কিছুদিন দেশকে শান্ত রাখেন। তারপর তাঁরাও রাজনীতিতে ঢুকে সিস্টেমের অংশ হয়ে যেতেন।


মার্শাল লর কার্যকারিতা নিয়ে মানুষের এখন আর উৎসাহ নেই। তাই বলে শাসকেরা নিশ্চিন্ত থাকতে পারছেন না। এখন স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে যখন অসন্তোষ দেখা দেয়, আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে হটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।


সাধারণত আন্দোলন শুরু করে ছাত্র ও তরুণেরা। তবে আন্দোলন যে সব সময় সফল হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। জনসমর্থন এবং আন্দোলনের ধার একটা ‘সর্বোচ্চ সীমায়’ না নিতে পারলে আন্দোলন সফল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। আরেকটি ফ্যাক্টর হলো শাসকদের দমননীতি, সেটা যত ধারালো হবে জনগণের রোষ এবং অংশগ্রহণ তত বাড়বে।


আগে জেন-জি, তেলাপোকা এমন বাহারি নাম ছিল না। কিন্তু ছাত্র ও তরুণেরাই সব সময় আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকত। তবে জেন-জিদের সঙ্গে আগেকার তরুণদের পার্থক্য হলো, আগে আন্দোলনকারী তরুণেরা নিজেরা ক্ষমতার ভাগ চাইত না। তারা আন্দোলনের সফলতা তুলে দিত রাজনীতিবিদদের হাতে।


এখন জেন-জি, তেলাপোকাদের যুগ। তারা শুধু ক্ষমতা পরিবর্তনে অবদান রেখে খুশি নয়, তারাও ক্ষমতায় যেতে চায় এবং দেশের পরিবর্তনে নিজেদের প্রত্যক্ষ অবদান রাখতে চায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও