You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সর্বজনীন ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা সময়ের দাবি

শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে জাগো নিউজে কয়েকবার লিখেছি। আজ আবারো লিখতে হচ্ছে রাজধানীর প্রাথমিক শিক্ষার দুরবস্থা নিয়ে। কয়েক যুগ ধরেই লেখালিখি হচ্ছে যে, রাজধানীতে যে হারে শিক্ষার্থী বাড়ছে সেই তুলনায় বাড়ছেনা সরকারি প্রাথমিক স্কুল। যার নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সম্মুখিন হয়েছি আমরা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা জেলায় মোট প্রাথমিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ২৫ হাজার ২৭১, যা দেশের সব জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ। এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে মাত্র ২ লাখ ২৬ হাজার ৯৭৫ জন। বাকি ১০ লাখ ৯৮ হাজার ২৯৬ শিক্ষার্থীকে নির্ভর করতে হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর। অর্থাৎ ঢাকায় প্রাথমিক স্তরের ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থীই পড়ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে।

বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের এক চাকরিজীবী সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘কাছাকাছি কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। আশপাশে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেগুলোর বেশির ভাগই কিন্ডারগার্টেন বা মাদরাসা। এছাড়া একটি ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ও আছে। তবে সেখানে খরচ অনেক বেশি। কিন্ডারগার্টেনে পড়াতে মাসে প্রায় ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ হয়। সে তুলনায় মাদরাসায় ব্যয় কম। বাসা থেকে দূরত্ব ও খরচের বিষয়টি বিবেচনা করেই সন্তানকে মাদরাসায় ভর্তি করিয়েছি।’

একটি জাতীয় দৈনিকে রাজধানীর প্রাথমিক শিক্ষার যে চিত্র উঠে এসেছে তা যেকোনো সচেতন নাগরিককে চিন্তিত করবে। ঢাকরি মোহাম্মদপুর শতাধিক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে মাত্র একটি। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বড় অংশই আবার মাদরাসা। এর মধ্যে রয়েছে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন জামিআ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা, মোহাম্মদপুর হাউজিংয়ে কাদেরিয়া তৈয়বিয়া আলিয়া মাদরাসা, চাঁদ উদ্যানের জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলূম হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা, ফয়জুল উলূম মহিলা মাদরাসা, ঢাকা উদ্যানের দারুল হিকমাহ্ নূরানী মাদরাসা, সৌতূলহেরা মাদরাসাহ, আল-কারীম দারুল উলূম মাদরাসা কমপ্লেক্স, তাহফিজুল কোরআন কারিমিয়া মাদরাসা। মাদরাসাগুলোর বেশির ভাগই আবাসিক ভবনে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

একই চিত্র ঢাকার যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, মিরপুর-১১ এলাকায়। শেওড়াপাড়া এলাকায় একটি আবাসিক ভবন ভাড়া নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে মোহাম্মাদিয়া জামে মসজিদ নেসার মাদরাসা। এ প্রতিষ্ঠান থেকে এক কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে রয়েছে আরো দুটি মাদরাসা। শেওড়াপাড়া-কাজীপাড়া এলাকায়ও অর্ধশতাধিক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার বড় অংশ মাদরাসা। এ এলাকায় নিকটবর্তী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

শেওড়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা পেশায় সবজি বিক্রেতা সাব্বির আহমেদ সাংবাদিকদের বলে, ‘কিন্ডারগার্টেনে পড়ানোর সামর্থ্য নেই, সরকারি বিদ্যালয়ও বেশ দূরে। মাদরাসায় কম খরচে ধর্মীয় শিক্ষা, সাধারণ শিক্ষা দুটোই মিলছে। এ কারণেই দুই সন্তানকেই কাছাকাছি মাদরাসায় পড়াচ্ছি।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন