ইউনূস সরকারের অবদান কী প্রকারে অস্বীকার করিব-২: বাকস্বাধীনতা
‘সংবাদমাধ্যম ও মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা ইতোমধ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে। আমরা সবাইকে বলে দিয়েছি, আপনারা মন খুলে আমাদের সমালোচনা করেন। আমরা সবার মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’ কথাগুলো ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে জাতির উদ্দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক মাস পূর্তির ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেছিলেন।
দীর্ঘদিন ধরে কথা বলার স্বাধীনতা নেই বলে যারা কার্যত মত প্রকাশে বিরত ছিলেন, ড. ইউনূসের এই বক্তব্যের পর তাদের মনে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়। বিশেষ করে বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার রাষ্ট্রীয় নীতিকে সবাই শ্রদ্ধা জানায়। সংবাদমাধ্যমগুলো কিছুটা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেও পরবর্তী সময়ে সেই আশার গুড় বালিতে পরিণত হয়। একটি দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় স্বাধীন সংবাদমাধ্যম যে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে পারে, সেই নির্যাস গ্রহণ থেকে মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার কিছুটা বঞ্চিত হয় এবং সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পুরোনো কাঠামোয় সাংবাদিকতা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টার অভিযোগ বেশ দগদগে হয়ে প্রকাশ্য রূপ লাভ করে। মুহাম্মদ ইউনূস কেন এই পথ বেছে নিয়েছেন? সাংবাদিকরা কেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণ কাঠামোয় পড়লেন, তা নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
- ট্যাগ:
- মতামত
- বাকস্বাধীনতা