জনস্বাস্থ্য: হামের ভয়াবহতার মধ্যে ভয় দেখাচ্ছে ডেঙ্গু

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১২ মে ২০২৬, ১০:০১

রাজধানীসহ সারা দেশে টানা কয়েক দিন বৃষ্টিপাতের পর আবারও বেড়েছে মশার প্রকোপ। তবে এবার আর কিউলেক্স মশা না, বাড়ছে ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিসের বিস্তার। গত পাঁচ বছরের হিসাব অনুযায়ী, ডেঙ্গুতে সারা দেশে মোট মৃত্যুর অর্ধেকই রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা। তাই এবার ডেঙ্গু নিয়ে আগাম সতর্কতার কথা জানিয়েছেন দুই সিটির কর্মকর্তারা। তাঁরা বলেছেন, এডিস মশা প্রতিরোধে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ডেঙ্গু মৌসুমের শুরুতে চলতি বছর এখন পর্যন্ত সারা দেশে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুজনই রাজধানীর বাসিন্দা।


গত কয়েক দিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। এ রকম বৃষ্টিতেই পথঘাট ছাড়াও পরিত্যক্ত বোতল বা পাত্র, ডাবের খোসা ইত্যাদিতে জমা পানিতে এডিস মশার বিস্তার ঘটে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৃষ্টিপাতের আগে প্রচণ্ড গরমে কিউলেক্স প্রজাতির মশার বিস্তার ঘটেছিল। বৃষ্টির ফলে সেই মশা থেকে রেহাই পেয়েছে নগরবাসী। তবে জমা পানির কারণে এখন বাড়ছে এডিস মশার বংশ।


গুলশান অঞ্চলের বিশাল কড়াইল বস্তির বাসিন্দা আকরাম মিয়া বড় রাস্তায় একটি ফলের দোকানে কাজ করেন। তিনি জানান, মশার কয়েল না জ্বালিয়ে দোকানে বসা যায় না। আজকের পত্রিকাকে আকরাম বলেন, ‘দিনের বেলায়ও কয়েল ধরাইতে হয়। এখন তো ডেঙ্গু (এডিস) মশার সিজন। এই মশা তো দিনেই নাকি বেশি কামড়ায়।’

গুলশান লেকের যে অংশ ঘেঁষে কড়াইল বস্তির অবস্থান, তা প্রায় সারা বছরই জঞ্জালে ভরা থাকে। লেকের ঘোলা বদ্ধ পানি মশার অন্যতম বড় প্রজনন ক্ষেত্র। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগে এডিস স্বচ্ছ পানিতে বংশ বৃদ্ধি করলেও সাম্প্রতিককালে ঢাকায় তাঁরা নোংরা পানিতেও এ মশার জন্ম হতে দেখছেন।


রাজধানীজুড়ে সব সময় বহু ভবন নির্মাণাধীন থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই দীর্ঘসময় লাগে এসবের কাজ শেষ হতে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এ ধরনের স্থাপনায় জমে থাকা পানিতে ডেঙ্গুর বংশবিস্তার হচ্ছে। জায়গাগুলো নজরে রেখে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না করলে এ বছর ডেঙ্গুর মাত্রা গত বছরের তুলনায় বাড়তে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও