সূর্যের দহন না কি নীতির ব্যর্থতা?

জাগো নিউজ ২৪ ড. মতিউর রহমান প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:২৭

নওশাদের বয়স ৫৩ বছর। দুই দশক ধরে রাজশাহীতে রিকশা চালাচ্ছেন তিনি। এই শহরের প্রতিটি অলিগলি, প্রতিটি মোড় তাঁর হাতের তালুর মতো চেনা—যা কেবল সেই মানুষের পক্ষেই সম্ভব, যার জীবন কেটেছে এই তপ্ত পিচঢালা রাস্তায়। ২০২৬ সালের ২৩শে এপ্রিলের এক তপ্ত বিকেল। মাথায় গামছা জড়িয়ে নওশাদ বেরিয়েছিলেন একমুঠো অন্নের সন্ধানে, কিন্তু দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরও কোনো যাত্রী মেলেনি।


বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সেদিন তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল—যা ছিল বছরের সর্বোচ্চ। রাস্তাঘাট ছিল জনশূন্য। এই নিস্তব্ধতা কোনো ছুটির দিনের প্রশান্তি নয়, বরং এটি ছিল প্রকৃতির প্রচণ্ড প্রতাপের কাছে মানুষের পরাজয়ের নিস্তব্ধতা। নওশাদ বিশ্রাম নিচ্ছিলেন না; তিনি অপেক্ষা করছিলেন উত্তাপ কিছুটা কমার জন্য, যাতে অন্তত একজন যাত্রী পাওয়া যায়। কিন্তু তপ্ত বাতাস কমেনি, বরং সময়ের সাথে সাথে আগুনের হলকার মতো বিঁধছিল শরীরে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও