You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বাড়তি খরচে বিপর্যস্ত নিম্নআয়ের মানুষের সংসার

শুক্রবার ভরদুপুরের তপ্ত রোদে রাজধানীর পশ্চিম আগারগাঁওয়ের একটি সবজির দোকানে বেগুনের দরদাম করছিলেন শাহনাজ আক্তার। বৈশাখের তীব্র গরমে কপাল বেয়ে ঘাম ঝরছিল তার। পরনের শাড়ির রংও অনেকটা মলিন।

মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও ৪০০ টাকা দিয়ে তার ছয় সদস্যের পরিবারের দৈনন্দিন বাজার হয়ে যেত। কিন্তু এখন পরিস্থিতির এতটাই পরিবর্তন হয়েছে যে, রান্নার তেল ছাড়াই তাকে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।

মৃদুস্বরে কথা বলছিলেন তিনি, যা বাজারের শোরগোলে যা প্রায় শোনাই যাচ্ছিল না। ৩৫ বছর বয়সী শাহনাজ বলেন, ‘তেল ছাড়া তো আর রান্না করা সম্ভব না।’

শাহনাজের স্বামী পেশায় অটোরিকশাচালক। কয়েক সপ্তাহ আগেও তাদের সংসারের বাজার খরচ মেটাতে ধার করতে হতো না। এখন হয় তাদের স্থানীয় দোকান থেকে বাকিতে কেনাকাটা করতে হচ্ছে, না হয় প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম কিনতে হচ্ছে।

শাহনাজ বর্তমানে গৃহকর্মীর কাজ খুঁজছেন, কিন্তু এখনো কোনো কাজ জোটেনি। তিনি জানান, কাজ না পেলে সন্তান ও শাশুড়িকে নিয়ে গ্রামে ফিরে যাওয়া ছাড়া তার আর কোনো উপায় থাকবে না।

শাহনাজের এই সংকট কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত তিন বছরে দফায় দফায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির চাপে পিষ্ট হচ্ছে নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো। একটির ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আসছে অন্যটি। মানুষের আয়ের তুলনায় খরচ এতটাই বেড়েছে যে, জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে উপার্জনের কোনো সামঞ্জস্য থাকছে না।

হিসাব-নিকাশ করলেই পরিস্থিতির ভয়াবহতা বোঝা যায়। মার্চ মাসেও মূল্যস্ফীতি ছিল প্রায় ৯ শতাংশ, যা উচ্চমূল্যের ধারাবাহিকতাকেই তুলে ধরছে। আর এই বাড়তি খরচের বোঝা সরাসরি মানুষের সংসারের আয়ে টান দিচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন