বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে হিসাবরক্ষকদের ভূমিকা

প্রথম আলো মামুন রশীদ প্রকাশিত: ৩০ মার্চ ২০২৬, ২১:০০

ব্যবসাকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত রাখতে হলে আমাদের হিসাবরক্ষক বা সেই নীরব প্রহরীদের ক্ষমতায়ন অপরিহার্য, যাঁরা জটিল ব্যবসায়িক পরিবেশকে স্থিতিশীল, স্বচ্ছ ও সহজ করে তোলার দায়িত্ব পালন করেন।


বর্তমান বিশ্বে আমরা এমন এক অনিশ্চিত পরিস্থিতির মুখোমুখি, যার পেছনে রয়েছে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার বড় ধরনের বিঘ্ন, যুদ্ধ, অর্থনৈতিক অস্থিরতা, সাইবার ঝুঁকি, অস্বাভাবিক উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জলবায়ু পরিবর্তন। এসব বিষয় ইতিমধ্যেই ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে। আমরা অর্থনীতিবিদ, আর্থিক পেশাজীবী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, নীতিনির্ধারকসহ বিভিন্ন পক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি ও মতামত শুনেছি।


এ নিবন্ধে মূলত হিসাবরক্ষকদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ভূমিকার ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। আধুনিক যুগে হিসাবরক্ষকদের কেবল হিসাব সংরক্ষণকারী হিসেবে দেখা হয় না, বরং তাঁরা সংকট নিরসনকারী, সমস্যা সমাধানকারী, পরিস্থিতি ব্যবস্থাপক, স্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী এবং এক অর্থে ধাক্কা সামাল দেওয়ার সক্ষম শক্তি হিসেবে বিবেচিত।


অন্যভাবে বললে, যেখানে সংকট রয়েছে, সেখানে হিসাবরক্ষকদেরই এগিয়ে এসে ভারসাম্য রক্ষা করা, ব্যয় সংযমের পরামর্শ দেওয়া এবং বাস্তবসম্মত সমাধান তুলে ধরা দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায়। এভাবে তারা সমন্বয়, অভিযোজন, সমন্বয় সাধন ও সংশোধনের একটি শক্তিশালী চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করেন। হিসাবরক্ষকেরাই প্রকৃত অর্থে ‘বাস্তবতা যাচাইকারী’, যাঁরা নীতিনির্ধারকদের লক্ষ্যমাত্রাকে বাস্তবে রূপ দেন।


অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা, জটিলতা ও অস্পষ্টতার এই যুগে হিসাবরক্ষকদের কাছ থেকে প্রত্যাশা—তাঁরা পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল করবেন, বিষয়গুলোকে পরিষ্কার করবেন এবং জটিলতা কমিয়ে আনবেন। তবে এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হলে হিসাবরক্ষকদের নিজেদেরও পরিবর্তিত হতে হবে। তাঁদের ভিত্তি, মূল ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়াকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তাঁরা দক্ষ ও কার্যকর সমাধান দিতে সক্ষম হন।


তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, সংকট মোকাবিলায় হিসাবরক্ষকেরা কীভাবে নিজেদের সর্বোত্তমভাবে প্রস্তুত করতে পারেন?


কার্যকর প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয়তার দ্রুত গ্রহণ


অনেক ক্ষেত্রেই এখনো হিসাবরক্ষণ কার্যক্রম হাতে-কলমে পরিচালিত হয়, যা ভুল, অসংগতি এবং অনেক সময় বিধি লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করে। এর ফলে মৌলিক তথ্যপ্রবাহ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সঠিক নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা সৃষ্টি হয়।


এ কারণে বিশেষ করে উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলো এবং যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো ম্যানুয়াল পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীল, তাদের দ্রুত স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় রূপান্তর হওয়া অত্যন্ত জরুরি।


এর ফলে দূরে থাকা নেতৃত্বও সহজেই তথ্য পাবেন, বারবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যেতে হবে না। হিসাবসংক্রান্ত তথ্য সব সময় এবং যেকোনো স্থান থেকে পাওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও