খুলনাঞ্চলের লবণাক্ত জমিতেও সূর্যমুখীর হাসি

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:০১

দেশে ভোজ্যতেলের সিংহভাগই আমদানিনির্ভর। প্রতি বছর ব্যয় হয় বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। ভোজ্যতেলে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথ অনুসন্ধান চলছে বেশ কয়েক বছর ধরে। এরই অংশ হিসেবে খুলনা বিভাগের কয়েকটি জেলার লবণাক্ত জমিতে সূর্যমুখীর চাষ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। যাতে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।


এ দেশে প্রধানত চার ধরনের ভোজ্যতেল ব্যবহৃত হয়—সরিষা, ধানের কুঁড়া (রাইস ব্রান), সয়াবিন ও সূর্যমুখী। এর সবগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। যার অংশ হিসেবে খুলনাঞ্চলের পতিত জমিতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় চাষ করা হচ্ছে সূর্যমুখী।


আমাদের দেশে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সূর্যমুখী তেল আমদানি হয়েছে ১৪ হাজার ৪০৬ টন তেল। দেশে বছরে উৎপাদন হয় সাধারণত ১০ থেকে ১২ হাজার টন। এই উৎপাদন আরও বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।


ওই অঞ্চলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’ প্রকল্পের সহায়তায় কৃষকদের সূর্যমুখী চাষে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের বীজ, সার, কীটনাশক ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব লবণাক্ত জমি আগে বছরের পর বছর পতিত ছিল, সেগুলোতে শুরু হয়েছে সূর্যমুখীর আবাদ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও