জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে

বণিক বার্তা মুহাম্মদ বদরুল হাসান প্রকাশিত: ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩০

ভূরাজনৈতিক সংঘাত বাধলে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজার সবসময় অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে।


পরবর্তী সময়ে চূড়ান্ত আকারে ধ্বংসযজ্ঞ এড়ানো গেলেও অস্থিরতা দূর হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ফের হামলা শুরু করে। কৌশলগত পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এরপর প্রণালিটি উন্মুক্ত হলেও তারা জানিয়ে দেয়, এ পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। এরপর তিন সপ্তাহ গড়িয়েছে। এখনো আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ করার কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কা তাই বাড়ছে। তাতে অনিশ্চয়তায় পড়েছে জ্বালানি পণ্য সরবরাহ ও বিপণন। নানা কারণে হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি পণ্য সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার (আইইএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ পথ দিয়ে বিশ্বের মোট সমুদ্রবাহিত তেলের প্রায় ২৫ শতাংশ এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় ১৯ শতাংশ পরিবাহিত হয়। এখন মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি চলমান থাকায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ রুটের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলো বিপাকে পড়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও