You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বাংলাদেশ-ভারত অভিন্ন নদী : সমস্যা ও সমঝোতার পথ

অভিন্ন নদী বলতে এমন নদ-নদীকে বোঝায়, যেগুলোতে একাধিক রাষ্ট্রের মালিকানা বা অংশীদারত্ব রয়েছে। সাধারণভাবে অভিন্ন নদীর সংজ্ঞা হলো, যে নদী উৎস থেকে এর প্রবাহপথে একাধিক রাষ্ট্রের ভূখণ্ড অতিক্রম করে সমুদ্র, হ্রদ, জলাভূমি বা অন্য কোনো নদীতে পতিত হয়। জাতিসংঘের ভাষায় এটি আন্তঃসীমান্ত নদী (Trans-Boundary Rivers)। এগুলো সীমান্ত নদী বা আন্তর্জাতিক নদী হিসাবেও অভিহিত হয়। International Law Association (ILA) আন্তর্জাতিক নদীর যে সংজ্ঞা দিয়েছে সেটি হলো-যেসব নদ-নদী একাধিক রাষ্ট্রের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, সেগুলোই আন্তর্জাতিক বা বহুজাতিক নদী। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, নীল, রিওগ্রান্ডি, দানিয়ুব, মেকং, নাইজার-এগুলো আন্তর্জাতিক নদী।

বিশ্বের প্রায় ২৬১টি নদ-নদী এ তালিকার অন্তর্ভুক্ত। দুই রাষ্ট্রের সীমানা চিহ্নিত করে প্রবাহিত হওয়া নদীকে সীমান্ত নদী বলা হয়। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত চিহ্নিত করে প্রবাহিত হচ্ছে নাফ নদ। বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা চিহ্নিত করে প্রবাহিত হচ্ছে পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার নাগর নদ, ইছামতি সাতক্ষীরা, গঙ্গার রাজশাহী অংশ। আন্তঃসীমান্ত নদী সম্পর্কে হেলসিঙ্কি কনভেনশনে (১৯৯২) যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তা হলো-দুই বা ততোধিক দেশের সীমান্ত অতিক্রমকারী ভূ-উপরস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানিপ্রবাহভিত্তিক যেসব নদী, সেগুলোই আন্তঃসীমান্ত নদী।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন