ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোতে হামলা পূর্বপরিকল্পিত: স্টার-ডিসমিসল্যাব বিশ্লেষণ

ডেইলি স্টার প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:২৯

গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি সংবাদপত্র—দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো এবং ঢাকার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের কার্যালয়ে হামলা চালায় ও আগুন ধরিয়ে দেয় সংঘবদ্ধ মব। পরদিন সন্ধ্যায়—১৯ ডিসেম্বর, আরেকটি সাংস্কৃতিক সংগঠন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।


ওই বছরের ১৩ থেকে ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া ৩ হাজার ৬৪টি ফেসবুক পোস্ট বিশ্লেষণ করে দ্য ডেইলি স্টার ও ডিসমিসল্যাব অনলাইন উসকানি ও বাস্তবে সহিংসতার স্পষ্ট যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে। কয়েকদিন ধরে জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার ও ডানপন্থী অ্যাকটিভিস্টরা দুটি সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ বয়ান তৈরি করতে থাকেন। যার ফলশ্রুতিতে পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবনে হামলা ও এবং আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।


হামলার সময় ফেসবুকে একের পর এক পোস্টে আসা নির্দেশনা অনুযায়ী মব জড়ো হয়, হামলা চালায় এবং ফেসবুকে নির্দেশনা দেখে তারা এক জায়গায় অন্য জায়গায় গিয়ে সহিংসতা চালায়।


এসব তথ্য-প্রমাণ ইঙ্গিত করে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে এসব হুমকি দৃশ্যমান ছিল, এমনকি ফেসবুকে এসব সহিংসতার দৃশ্য সরাসরি প্রচার করা হলেও এর বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মেটা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ‘আজ রাতেই ’, ‘এখনই’ এবং ‘জয় বাংলা করে দিতে হবে’—ফেসবুকে এ ধরনের বাক্যাংশ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এসব পোস্টে সংবাদপত্র দুটিকে ‘ভারতের দালাল’ ও ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়।


রাতভর সহিংসতার আহ্বান আসতে থাকে। চিহ্নিত ও প্রতিরোধ করার কেউ ছিল না। এতে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতার গুরুতর দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। একইসঙ্গে তাৎক্ষণিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে—এমন কনটেন্ট শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে মেটার সক্ষমতার সীমাবদ্ধতাও সামনে এসেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও