You have reached your daily news limit

Please log in to continue


দক্ষ কর্মীর মাধ্যমে আয় বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব: ড. তাসনিম সিদ্দিকী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. তাসনিম সিদ্দিকী অভিবাসী নিয়ে কাজ করা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (RMMRU) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার। অভিবাসন ও শরণার্থী বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এ বিশেষজ্ঞ বর্তমানে নীতিনির্ধারণী গবেষণা এবং অভিবাসীদের অধিকার রক্ষায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। এ খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তিনি যুগান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন খালিদ বিন আনিস।

যুগান্তর : বাংলাদেশের শ্রমবাজার কি নির্দিষ্ট কিছু দেশের ওপর অতি-নির্ভরশীলতার কারণে অস্থিরতার ঝুঁকিতে রয়েছে?

ড. তাসনিম সিদ্দিকী : বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর কাজের উদ্দেশে ১০ লাখের বেশি লোক বিদেশে যাচ্ছেন। গত দুই বছরে ১৩ লাখ, ১২ লাখ, এরকম সংখ্যায় লোক কাজের জন্য বিদেশে গেছেন। যেখানে আমাদের দেশের ভেতরে কর্মসংস্থান আমরা করতে পারছি না, দুই লাখের বেশি আমরা ফরমাল সেক্টরে অ্যামপ্লয়মেন্ট জেনারেট করতে পারছি না, বেশির ভাগ আমাদের দেশের লোক ইনফরমাল সেক্টরে অ্যামপ্লয়েড। সেখানে এই যে অ্যামপ্লয়মেন্টটা, মানে বিদেশে গিয়ে কাজে যাওয়া, এটা আমার সামগ্রিক যে অ্যামপ্লয়মেন্ট তৈরি করার যে প্রেসার সরকারের ওপর, সেটা অনেকটা কমিয়ে দেয়। কিন্তু এ জায়গাতে কতগুলো সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিভাত হয়। সেটা প্রথম হলো, আজ পর্যন্ত আমরা কিন্তু একটা স্থিতিশীল শ্রমবাজার তৈরি করতে পারিনি। আমরা যখন যেই দেশে আমার লোক যায়, শুধু সেই দেশেই যায়। অর্থাৎ এখন সৌদি আরবে লোক যাচ্ছেন, দেখা যাবে যে যদি আমার ১২ লাখ লোক বিদেশে গিয়ে থাকেন, তার প্রায় ৬৫ শতাংশ বা তারও বেশি লোক শুধু সৌদি আরবে গেছেন, আর বাকিরা অন্যান্য দেশে গেছেন। আবার যখন মালয়েশিয়াতে লোক যায়, দেখা যাবে মালয়েশিয়াতে ৩-৪-৫ লাখ লোক গেছেন, অন্য দেশে কোনো লোক যাননি। ইউএই’র ক্ষেত্রেও এটা দেখা যায়। এটার সমস্যা হচ্ছে, কিছুদিনের মাথায় যখন এত বেশি লোক যায়, ওই মার্কেটটা কিন্তু বন্ধ করে দেয় তারা। যেহেতু এটা গ্রহণকারী দেশের এখতিয়ার, তারা বন্ধ করে দেয়। ফলে হয় কী, আমার শ্রমবাজার কিন্তু একটা স্থিতিশীলতার মধ্যে থাকতে পারে না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন