You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ফেব্রুয়ারি এলে কদর বাড়ে, সারা বছর অবহেলা

রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে প্রাণ উৎসর্গ করেছেন ভাষাশহীদরা। তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই রাষ্ট্রভাষা হয় বাংলা। ভাষা আন্দোলনে শহীদের সংখ্যা অনেক হলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন পাঁচজন—আবদুস সালাম, আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বার ও শফিউর রহমান। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত এই শহীদদের প্রত্যেককেই রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। ২০০০ সালে এই ভাষাশহীদদের মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে বাংলাদেশ সরকার।

ভাষাশহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে প্রায় দুই দশক আগে তিন ভাষাশহীদের জন্মস্থানে স্থানীয় সরকার বিভাগের অর্থায়নে গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ করে সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদ। ভাষাশহীদ বরকতের নামে স্মৃতি সংগ্রহশালা নির্মাণ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে এখনো পর্যন্ত ভাষাশহীদ শফিউর রহমানের স্মৃতি সংরক্ষণে কোনো স্থাপনা নির্মিত হয়নি।

ভাষাশহীদদের গ্রামে নির্মিত স্মৃতিস্থাপনার বর্তমান অবস্থা দেখতে ও ভাষাশহীদ পরিবারগুলোর খোঁজ নিতে বিভিন্ন জেলায় যান এই প্রতিবেদক। সরেজমিনে দেখা যায়, বছরের বেশির ভাগ সময় এসব স্থাপনা অবহেলাতেই পড়ে থাকে। ফেব্রুয়ারি এলে বাড়ে কর্মচাঞ্চল্য ও দর্শনার্থীদের ভিড়। ভাষাশহীদদের গ্রামে ঘুরে এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে নানাবিধ সংকট ও অপ্রাপ্তির চিত্র উঠে এসেছে। দুই পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ থাকছে প্রথম পর্ব।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন