স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্তি কার্যক্রম স্থগিত
বেসরকারি স্কুল ও কলেজ এমপিওভুক্তির কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখার কথা জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
অন্তর্বর্তী সরকার মেয়াদের শেষে এসে এমপিওভুক্তির আবেদন গ্রহণ করে। ‘প্রাথমিকভাবে যোগ্য বিবেচিত’ ১ হাজার ৭১৯টি স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত করতে অর্থবরাদ্দ চেয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এ প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত করে প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনভাতা দিতে বছরে ৬৭০ কোটি টাকা বেশি খরচ হবে।
তবে মেয়াদের শেষ মাসে এসে ‘তড়িঘড়ি’ করে নতুন স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্তির আবেদন গ্রহণের উদ্যোগ নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখে ওই প্রক্রিয়া থেকে সরে এসেছে সরকার।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ সোমবার রাতে বলেন, “এমপিওভুক্তির কার্যক্রম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে আপাতত স্থগিত।”
এদিকে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে আবেদন গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করলেও সে প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
‘মান্থলি পে অর্ডার’ বা এমপিও হলো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সরকারি খাত থেকে বেতন-ভাতা পাওয়ার ব্যবস্থা। এমপিওর তালিকাভুক্ত বা এমপিওভুক্ত হওয়ার পর বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী সরকারি খাত থেকে বেতন-ভাতা পাওয়ার সুযোগ পান।
- ট্যাগ:
- বাংলাদেশ
- এমপিওভুক্তি
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়