You have reached your daily news limit

Please log in to continue


কারাগারে জন্ম, সেখানেই বেড়ে ওঠে ওরা

একটাই শ্রেণিকক্ষ। চারজন খুদে শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে একটু বড় যে মেয়ে, সে গান শোনাল—‘মোরা যদি ডানাওয়ালা পাখি হইতাম/ ওই মদিনা দেখার লাগি উড়ে যাইতাম—’। মদিনা তো দেশের সীমানা পেরিয়ে বহু দূরের স্থান, তার চারপাশের উঁচু দেয়ালের ওপাশটা দেখতেও শিশুটির ‘ডানা’ই লাগবে। কেননা বাইরে পা রাখার অনুমতি নেই তার।

শ্রেণিকক্ষটি কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কাশিমপুর-৩)। সেখানেই মেয়েশিশুটির সঙ্গে দেখা। তার মা হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আসামি। কারাগারে আসার সময় তিনি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। পরে কারাগারের ভেতর একদিন হুট করে প্রসববেদনা ওঠে, তখন ভবনের বাইরে ছিলেন। সেখানেই ঘাসের ওপর জন্ম হয় মেয়েটির; কারারক্ষীরা ঘাসের সঙ্গে মিলিয়ে শিশুটির নাম রাখেন।

কারা মহাপরিদর্শকের (আইজি প্রিজনস) বিশেষ অনুমতি নিয়ে গত ১৪ জুলাই এই প্রতিবেদক কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে মা বন্দীদের সঙ্গে কথা বলেন। সেদিন কয়েকটি শিশুর সঙ্গেও দেখা হয়।

কারাগারের কর্মকর্তারা জানান, কারাগারে ৪৮ জন নারী বন্দীর সঙ্গে ৫২টি শিশু রয়েছে। কোনো কোনো মায়ের একাধিক সন্তান। অনেক শিশুর জন্ম কারাগারে, বেড়ে ওঠাও সেখানে। বাইরের জগতের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ নেই।

১৪ জুলাই কারাগারটিতে ৭০১ নারী বন্দী ছিলেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক—১৭০ জন হত্যা মামলার, ১৬৯ জন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত। ৩০ জন মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত।

দেশে কারাগার রয়েছে ৭৪টি। এর মধ্যে মা বন্দীদের শিশুদের জন্য ২৫টি কারাগারে দিবাযত্ন কেন্দ্র রয়েছে ২৬টি। সেসব কারাগারে দিবাযত্ন কেন্দ্র নেই, সেগুলোয় মায়েদের সঙ্গে থাকা শিশুদের বিকাশ ও শিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেই।

১৬ জুলাই কারা অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুসারে, কারাগারগুলোয় মোট বন্দী ৯১ হাজার ৮৭৯ জন। এর মধ্যে নারী ৩ হাজার ৪৮৭। এসব নারীর মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত ১ হাজার ১২০ জন এবং হাজতি (মামলায় গ্রেপ্তার বা মামলা বিচারাধীন) ২ হাজার ৩৫০ জন। মা বন্দীর সঙ্গে শিশু রয়েছে ৩০৬টি। এর মধ্যে ছেলেশিশু ১৬০ ও মেয়েশিশু ১৪৬টি। তবে ২৬ জুলাই শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩১২–এ। বন্দী মায়ের সংখ্যা ২৯১। কোনো কোনো মায়ের একাধিক সন্তান কারাগারে। আবদ্ধ পরিবেশ ও ধারণক্ষমতার চেয়ে বন্দীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এসব শিশুকেও গাদাগাদি করে থাকতে হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন